ফর্টিস হাসপাতাল, আনন্দপুর, কলকাতা প্রেস ক্লাবের সহযোগিতায় পালমোনারি হেলথ অ্যাসেসমেন্ট শিবির
বিশেষ প্রতিনিধি, কলকাতা: বিশ্ব ফুসফুস দিবস উপলক্ষে কলকাতার প্রেস ক্লাবের সহযোগিতায়, ফর্টিস হাসপাতাল আনন্দপুর, ফুসফুসের স্বাস্থ্য সংক্রান্ত বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতে ‘পালমোনারি হেলথ অ্যাসেসমেন্ট’ ক্যাম্পের আয়োজন করে। ২১ সেপ্টেম্বর সকাল ১১টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত কলকাতার প্রেস ক্লাবে এই উপলক্ষ্যে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। বিনামূল্যে স্বাস্থ্য পরীক্ষা শিবিরে ৫০-এরও বেশি মিডিয়া কর্মকর্তারা অংশগ্রহণ করেন।

শিবিরের সূচনায় ডাঃ শিবরেস্মি উন্নিথন এবং ডাঃ অংশুমান মুখোপাধ্যায় ফুসফুসের স্বাস্থ্য বজায় রাখা এবং কী কী বিষয়ে যত্ন নেওয়া উচিত সে সম্পর্কে কথা বলেন।

এই সেশনের পরে, শিবিরে অংশগ্রহণকারীদের তাদের ফুসফুসের অবস্থা বোঝার জন্য মেডিকেল পরীক্ষা করা হয়, এছাড়াও ছিল র্যান্ডম ব্লাড সুগার স্যাম্পেলিং, পালমোনারি ফাংশন টেস্ট (পিএফটি), ওজন পরীক্ষা এবং রক্তচাপ নির্ণয়ের ব্যবস্থা। কলকাতার ফর্টিস আনন্দপুরের চিকিৎসক ও টেকনিশিয়ানদের মাল্টি-ডিসিপ্লিনারি টিম এই উদ্যোগে অংশ নেন।

এই উদ্যোগ সম্পর্কে পালমোনোলজি বিভাগের ডাইরেক্টর ডাঃ সুস্মিতা রায়চৌধুরী বলেন, “বিশ্বব্যপি ফুসফুসের বিভিন্ন রোগের বোঝা কমানোর জন্য ফুসফুসের স্বাস্থ্য এবং এসম্পর্কিত প্রচার চালানো অত্যন্ত আবশ্যক।

কলকাতায়, গত দুই বছরে বিশেষ করে কোভিডের কারণে ফুসফুস সংক্রান্ত নানা রকমের সমস্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। এই উদ্যোগের পিছনে মূল উদ্দেশ্যই হলো, প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থাগুলি সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানো, যাতে সময়ে স্ক্রিনিং, রোগ নির্ণয় এবং দীর্ঘস্থায়ী ফুসফুসের সমস্যার চিকিত্সার উপর যথাযথ গুরুত্ব দেওয়া হয়”।

কলকাতার প্রেস ক্লাবের প্রেসিডেন্ট স্নেহাশিস সুর বলেন, “এই শিবির এমন একটা সময়ে আয়োজন করা হয়েছে যখন ফুসফুসের স্বাস্থ্য আগের চেয়েও অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে, বিশেষ করে কোভিডের পর। বিশ্ব ফুসফুস দিবস, পেশাদারদের বিভিন্ন গোষ্ঠীর মানুষের জন্য ফুসফুস সম্পর্কিত সচেতনতা বাড়ানোর একটি সুযোগ হিসাবে দেখা যেতে পারে, কারণ বায়ু দূষণ নীরবে মানব দেহের এই গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গটির ক্ষতি করে যাচ্ছে।
ফর্টিস হাসপাতাল আনন্দপুরের সঙ্গে এই উদ্যোগের মাধ্যমে ফুসফুস সংক্রান্ত অসুস্থতার ক্ষেত্রে প্রাথমিক রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসার প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে সচেতনতা বাড়বে বলে আমরা আশা রাখি”।

