জেলা 

সাগরদিঘির আসন নিয়ে কংগ্রেসের গোষ্ঠী কোন্দল তীব্র! ভোট বয়কটের ডাক

শেয়ার করুন

সাগরদিঘিতে কংগ্রেস প্রার্থী নিয়ে ক্ষোভ। প্রার্থী বহিরাগত বলে দাবি দলেরই একাংশের। প্রার্থী বদলের দাবি তুলে ভোট বয়কটের হুঁশিয়ারি সাগরদিঘির কংগ্রেসকর্মীদের একাংশের। তাঁদের দাবি, অধীর চোধুরী তৃণমূল ও বিজেপির সঙ্গে আঁতাঁত করে রাজনীতি করছেন। ফল ভুগতে হচ্ছে কংগ্রেসকে। মুর্শিদাবাদে কংগ্রেস দুর্বল হওয়ার পিছনে অধীরের হাত রয়েছে বলেও দাবি করেছেন ক্ষুদ্ধ নেতারা।

সাগরদিঘিতে কংগ্রেস প্রার্থী বহরমপুরের প্রাক্তন বিধায়ক তথা মুর্শিদাবাদ জেলা কংগ্রেসের সভাপতি মনোজ চক্রবর্তী। জেলা কংগ্রেস সভাপতিই বহিরাগত বলে দাবি খোদ দলের নেতাদেরই। প্রদেশ কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক মুখপাত্র হাসানুজ্জামান বাপ্পা, প্রদেশ কংগ্রেস নেতৃত্ব শিলাদিত্য হালদার ও প্রদেশ যুব কংগ্রেসের সহ-সভাপতি আশিক ইকবালরা ভোট বয়কটের ডাক দিয়েছেন। রাজনৈতিক সমীকরণ মনে করিয়ে তাঁদের বক্তব্য, সাগরদিঘি বিধানসভা সংখ্যালঘু অধ্যুষিত এলাকা। এখানে মনোজ চক্রবর্তীকে প্রার্থী করা ঠিক হয়নি। উলটো দিকে মুর্শিদাবাদ বিধানসভা হিন্দু ভোটার বেশ, সেখানে মুসলিম নেতৃত্ব প্রার্থী করা হয়েছে। যা মেনে নেওয়া যায় না বলে জানিয়েছেন তাঁরা।

Advertisement

সাগরদিঘি আসন তৃণমূলকে উপহার দিতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগও উঠছে অধীরের বিরুদ্ধে। সাগরদিঘি ব্লক কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক সাহিদুর রহমানের অভিযোগ, “অধীর চৌধুরী তৃণমূল কংগ্রেস ও বিজেপির সঙ্গে গোপন আঁতাত করেছেন। তাই সাগরদিঘি আসনটি তৃণমূলকে উপহার দেওয়ার জন্য মনোজ চক্রবর্তীকে প্রার্থী করেছেন। কোনওভাবেই এটা মেনে নেব না। প্রার্থী প্রত্যাহার করা না হলে কংগ্রেস কর্মীরা ভোট বয়কটের সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হবেন।” প্রদেশ কংগ্রেস নেতা হাসানুজ্জামান বাপ্পা বলেন, “মুর্শিদাবাদ জেলায় কংগ্রেসকে দুর্বল করার জন্য দায়ী অধীর রঞ্জন চৌধুরী। তাঁর জন্য মুর্শিদাবাদ জেলায় কংগ্রেস শূন্যতে নেমে এসেছে।” এই নেতাদের আরও অভিযোগ অধীর দলের কোনও শৃঙ্খলা মানেন না। বিধানসভা নির্বাচনে প্রার্থী ঘোষণা করার কথা এআইসিসির। অথচ তা না করে অধীর প্রার্থী ঘোষণা করছেন।

প্রদেশ কংগ্রেস নেতা শিলাদিত্য হালদার ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “মুর্শিদাবাদ বিধানসভায় মনোজ চক্রবর্তীকে প্রার্থী করলে কংগ্রেস লড়াই ময়দানে থাকত। রঘুনাথগঞ্জ নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। আসলে রঘুনাথগঞ্জ ও সাগরদিঘি সিট তৃণমূল ও মুর্শিদাবাদ কেন্দ্রটি বিজেপির হাতে তুলে দেওয়ার পরিকল্পনা নিয়েছেন অধীর। আমরা তীব্র বিরোধিতা করছি।”


শেয়ার করুন

সম্পর্কিত নিবন্ধ