“রাজ্য সহযোগিতা করলে মাইক্রো অবজার্ভারের প্রয়োজন নেই” মমতার সওয়ালের পর মন্তব্য শীর্ষ আদালতের
এসআইআরে শুধু মাত্র বাংলাতেই নিয়োগ করা হয়েছে মাইক্রো অবর্জাভার। এই নিয়ে প্রশ্ন তুলে বারবার বাংলা থেকে মাইক্রো অবজার্ভার প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে তৃণমূল। এদিন সুপ্রিম কোর্টে নিজের দায়ের করা মামলায় বঙ্গবাসীর হয়ে সওয়াল করে মাইক্রো অবর্জাভার প্রত্যাহারের আর্জি জানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পালটা কেন শুধুমাত্র বাংলায় মাইক্রো অবজার্ভার নিয়োগ করা হয়েছে, তা জানায় কমিশন। দু’পক্ষের বক্তব্য শুনে আদালতের পর্ষবেক্ষন, “রাজ্য সহযোগিতা করলে মাইক্রো অবজার্ভারের প্রয়োজন নেই।” পাশাপাশি কমিশনকে সংবেদনশীল হওয়ার পরামর্শও দিয়েছে আদালত।
বুধবার সু্প্রিম কোর্টে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী, বিচারপতি বিপুল এম পাঞ্চোলির বেঞ্চে ছিল এসআইআর সংক্রান্ত একাধিক মামলার শুনানি। সেখানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের করা মামলা নিয়ে সওয়াল করেন তাঁর আইনজীবী শ্যাম দেওয়ান। মাঝপথে তাতে অংশ নেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এসআইআর পর্বে কীভাবে আমজনতা হয়রানির শিকার হয়েছেন, আদালতে তা তুলে ধরেন তিনি। নিয়ম ভেঙে মাইক্রো অবর্জাভার নিয়োগ করা হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। বলেন, “শুধুমাত্র বাংলার জন্য মাইক্রো অবর্জাভার নিয়োগ করা হচ্ছে। বিজেপির লোকজনকে মাইক্রো অবজার্ভার করে পাঠাচ্ছে। তারা নাম ডিলিট করছে। ইলেকশন কমিশন হোয়াটসঅ্যাপ কমিশন হয়ে গিয়েছে। হোয়াটসঅ্যাপে নির্দেশ দিচ্ছে।”

এরপরই কেন বাংলায় মাইক্রো অবর্জাভার নিয়োগ করা হয়েছে, তা স্পষ্ট করেন কমিশনের আইনজীবী। তিনি বলেন, “এসডিএম পদমর্যাদার অফিসার চেয়েও পাইনি, তাই মাইক্রো অবজার্ভার নিয়োগ করতে হয়েছে। আমরা আইন মেনে পর্যবেক্ষক নিয়োগ করেছি।” অভিযোগ উড়িয়ে পালটা মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আমাদের যা সংখ্যা সেই হিসেবেই এসডিএম দিয়েছি।” দু’পক্ষের বক্তব্য শোনার পর প্রধান বিচারপতি বলেন, “রাজ্য সহযোগিতা করলে মাইক্রো অবজার্ভারের প্রয়োজন নেই। কোনও বৈধ ভোটার বাদ যাক আমরা চাই না।” এর পাশাপাশি নোটিস নিয়ে কমিশনকে সংবেদনশীল হওয়ার পরামর্শও দিয়েছে আদালত।

