শ্রীরামপুর ওয়ালশ হাসপাতাল থেকে শিশু চুরি, পুলিশি তৎপরতায় উদ্ধার, গ্রেফতার ১
বাংলার জনরব ডেস্ক : বুধবার সকালে শ্রীরামপুর ওয়ালশ হাসপাতাল থেকে শিশু চুরি হয় বলে অভিযোগ। এই চুরি হওয়ার খবর পাওয়ার কিছুক্ষণ পরেই পুলিশ সেই শিশু উদ্ধার করে এবং একজন মহিলাকে গ্রেফতার করেছে বলে জানা গেছে। এই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে হাসপাতাল চত্বরে। শিশুটিকে উদ্ধার করায় হাঁফ ছেড়ে বেঁচেছেন পরিবার ও পুলিশ। তবে হাসপাতালে মা ও শিশুদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, কোন্নগর ঘোষাল বাগানের বাসিন্দা নেহা কুর্মি গত বুধবার প্রসব বেদনা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন। বৃহস্পতিবার কন্যা সন্তানের জন্ম দেন তিনি। এক সপ্তাহের মাথায় আজ, বুধবার হাসপাতাল থেকে ছুটি দেওয়া হয় তাঁকে। সাড়ে ১১টা নাগাদ হাসপাতালের গেটের কাছে তিনি নেমে আসেন। পরিবারের সদস্যরা প্রয়োজনীয় কাজ সারছিলেন।

অভিযোগ, সেই সময় এক মহিলা এসে নেহার কাছে তাঁর সন্তানকে কোলে নেওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেন। নেহাদেবী অপরিচিত মহিলার হাতে সদ্যোজাতকে দেন। অভিযোগ, তারপরই সেই মহিলা শিশুটিকে নিয়ে হাসপাতাল থেকে পালিয়ে যায়। নেহার ননদ বলেন, “এক মহিলা এসে আমাদের বাচ্চাকে কোলে নেওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেন। বউদি বুঝতে না পেরে দিয়েও দেন। তারপর ওই মহিলা বাচ্চাকে নিয়ে পালিয়ে যায়।”
অভিযোগ জানানো হয় থানায়। শিশু চুরির অভিযোগ পেয়ে তৎপর হয়ে ওঠে পুলিশ। খবর পৌঁছন আইসি শ্রীরামপুর, এসিপি-সহ চন্দননগর পুলিশের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা। খতিয়ে দেখা হয় সিসিটিভি ফুটেজ। সেখানে দেখা যায় অভিযুক্ত মহিলা শিশুটিকে নিয়ে হাসপাতালের গেট থেকে বেরিয়ে যাচ্ছেন। শহরে নাকা তল্লাশি শুরু করে পুলিশ। শ্রীরামপুর নগার মোড়ে মহিলাকে আটক করে পুলিশ। অভিযোগ পাওয়ার কয়েক ঘণ্টার পর নবজাতককে মায়ের কাছে ফিরিয়ে দিতে পেরে খুশি পুলিশ।

