আরজিকরের মেধাবী ছাত্রীর মৃত্যু মালদহে! অস্বাভাবিক মৃত্যুর পেছনে প্রেমিক দাবি মায়ের, তদন্তে পুলিশ
বাংলার জনরব ডেস্ক : কলকাতার আরজিকর মেডিকেল কলেজের পড়ুয়া আদিবাসী ছাত্রীর অস্বাভাবিক মৃত্যু ঘিরে রহস্য ঘনীভূত হয়েছে। এই ছাত্রের বাড়ি দক্ষিণ দিনাজপুরের বালুরঘাটে তিনি মারা গেছেন মালদহে। প্রাথমিক ভাবে মনে করা হচ্ছে, প্রেমিকের সঙ্গে অশান্তির জেরে আত্মহত্যা করে থাকতে পারেন ওই তরুণী। যদিও পরিবারের দাবি, মেয়েকে খুন করা হয়েছে। ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, নিহত তরুণীর নাম অনিন্দিতা সরেন (২৪)। বাড়ি দক্ষিণ দিনাজপুরের বালুরঘাটে। শুক্রবার দুপুরে তাঁর মৃত্যু হয়েছে। নিহতের পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, এক যুবকের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক ছিল অনিন্দিতার। পুরুলিয়ার বাসিন্দা ওই যুবক মালদহ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের পড়ুয়া ছিলেন। দাবি, পুরীর মন্দিরে গিয়ে বিয়েও করেছিলেন তাঁরা। মেয়ের মায়ের অভিযোগ, সম্প্রতি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন অনিন্দিতা। সে কথা জানতে পেরে মা দু’জনকে সামাজিক মতে বিয়ে করে নেওয়ার পরামর্শ দেন। অনিন্দিতা তাতে রাজি হন। বিয়ের জন্য প্রেমিককে চাপও দিতে শুরু করেন। কিন্তু প্রেমিক তাতে রাজি ছিলেন না। তিনি অনিন্দিতাকে গর্ভপাত করাতে বাধ্য করেন বলে অভিযোগ। এর পর ধীরে ধীরে দু’জনের সম্পর্কে তিক্ততা আসে বলে দাবি। এমতাবস্থায় দিন চারেক আগে অনিন্দিতা প্রেমিকের সঙ্গে সামনাসামনি দেখা করার জন্য মালদহে যান। মালদহে একটি হোটেলে ঘরও ভাড়া নেন তিনি।

এ পর্যন্ত সব ঠিকই ছিল। কিন্তু শুক্রবার সকাল ১১টা নাগাদ ফোনে অনিন্দিতার পরিবারকে জানানো হয়, তাঁদের মেয়ে গুরুতর অসুস্থ। তাঁকে মালদহ মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি করানো হয়েছে। তড়িঘড়ি হাসপাতালে পৌঁছে পরিজনেরা দেখেন, ততক্ষণে মেয়ের মুখ থেকে গ্যাঁজলা বেরোচ্ছে। অনিন্দিতাকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক। এর পরেই প্রেমিকের বিরুদ্ধে খুনের অভিযোগে সরব হয়েছে নিহত ছাত্রীর পরিবার।

