ভারতে বসে হাসিনার উস্কানিমূলক বিবৃতি বন্ধ করতে হবে ভারতকে চিঠি দিয়ে বলল বাংলাদেশ সরকার!
বাংলার জনরব ডেস্ক : ভারতকে সরাসরি হুঁশিয়ারি দিলেন বাংলাদেশ। ভারতে বসে উস্কানিমূলক বিবৃতি কেন দিচ্ছেন হাসিনা তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে বাংলাদেশ সরকার। ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের উপরাষ্ট্র দূতকে রীতিমতো তলব করেছে মুহাম্মদ ইউনুসের সরকার। বাংলাদেশের বিদেশ সচিব তৌহিদ হোসেন ভারতের উপরাষ্ট্র দূত কে বলেছেন অবিলম্বে এ বিষয়ে নয়াদিল্লির সঙ্গে কথা বলতে। বাংলাদেশের বিদেশ সচিব তৌহিদ হোসেন এ প্রসঙ্গে সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, ‘‘হাসিনা ভারত থেকে যে সমস্ত বক্তৃতা করছেন, ছাত্র-জনতা তা ভাল ভাবে নিচ্ছেন না। তিনি অবিরাম উস্কানি দিচ্ছেন। তিনি যদি এই ধরনের ঘটনা থেকে বিরত থাকতেন, তবে অশান্তি হত না। গত কয়েক দিনের পরিস্থিতি নিয়ে আমরা ভারতকে প্রোটেস্ট নোট দিয়েছি। লিখিত ভাবে জানিয়েছি। এখনও তার জবাব পাইনি। এখন রাষ্ট্রদূত নেই, আমরা উপ-রাষ্ট্রদূতকে ডেকে এ বিষয়ে অনুরোধ করেছি। যাতে হাসিনা উস্কানিমূলক মন্তব্য করা বন্ধ করেন, তা নিশ্চিত করার কথা বলেছি।’’
বুধবার রাত থেকে বাংলাদেশের একাংশে নতুন করে অশান্তি ছড়িয়েছে। ঢাকার ধানমন্ডিতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৩২ নম্বরের বাড়িতে প্রথমে ভাঙচুর চালানো হয়। পরে ক্রেন দিয়ে ওই বাড়ি গুঁড়িয়ে দেন বিক্ষোভকারীরা। আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয় ধানমন্ডিতে হাসিনার বাড়ি সুধা সদনেও। বুধবার রাতে ভার্চুয়াল মাধ্যমে হাসিনা বাংলাদেশের মানুষের উদ্দেশে ভাষণ দেবেন বলে জানিয়েছিলেন। সেই অনুযায়ী প্রচার করেছিল আওয়ামী লীগ। তার পর থেকেই অশান্তি শুরু হয়। হাসিনা-বিরোধীরা ধানমন্ডিতে জমায়েত করেন এবং মুজিবের বাড়িতে ভাঙচুর শুরু হয়। হাসিনার ভাষণ শুরুর আগেও ওই বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়েছিল। বৃহস্পতিবার সকাল থেকেও বাংলাদেশের বিভিন্ন অংশে সেই অশান্তির আঁচ লাগে। ভাঙচুর চলতে থাকে। দুপুরে সে প্রসঙ্গে আলোচনার জন্য ভারতীয় উপ-রাষ্ট্রদূতকে তলব করা হয়।

গত ৫ অগস্ট বাংলাদেশে গণ আন্দোলনের চাপে পড়ে পদত্যাগ করতে বাধ্য হন হাসিনা। তিনি দেশ ছেড়ে পালিয়ে যান এবং ভারতে আশ্রয় নেন। সেই থেকে হাসিনা ভারতেই গোপন আস্তানায় রয়েছেন। তথ্যসূত্র ডিজিটাল আনন্দবাজার।

