কলকাতা 

লোকসভা নির্বাচনে মুখে আন-এডেড মাদ্রাসার শিক্ষকরা; কেন্দ্রীয় সাহায্য পেতে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ ; চার সপ্তাহের মধ্যে রাজ্যকে জানাতে হবে মত নোটিশ সর্বোচ্চ আদালতের

শেয়ার করুন
  • 2
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

বাংলার জনরব ডেস্ক :  লোকসভা নির্বাচনে মুখে আবার রাজ্য সরকার সংখ্যালঘু সমাজের কাছে বেশ অস্বস্তিতে পড়তে চলেছে । মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মস্তিস্ক প্রসূত ১০ হাজার মাদ্রাসা অনুমোদন দেওয়ার সিদ্ধান্তই এখন এই সরকারের শিরঃপীড়া হয়ে উঠতে চলেছে । এই আন এডেড মাদ্রাসগুলি এবার কেন্দ্রীয় সরকারের অনুদান পাওয়ার লক্ষ্যে রাজ্য সরকার যাতে ছাড়পত্র দেয় তার জন্য সরাসরি সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে বলে জানা গেছে ।

আজ সুপ্রিম কোর্টে এই ইস্যুতে আন এডেড মাদ্রাসা শিক্ষকদের পক্ষে মামলা দায়ের করা হয় । মামলাকারীদে পক্ষের আইনজীবী আবু সোহেল জানিয়েছেন , শুক্রবার বিচারপতি রোহিন্তন ফালি নরিম্যান ও বিচারপতি বিনীত সারনের ডিভিশন বেঞ্চে এই মামলাটি ওঠে । মামলাটির গুরুত্ব উপলব্ধি করে সুপ্রিম কোর্ট মামলাটি গ্রহণ করে পশ্চিমবঙ্গ সরকার কেন এই মাদ্রাসাগুলিকে কেন্দ্রীয় সাহায্য থেকে বঞ্চিত করছে তা জানতে চেয়ে নোটিশ দিয়েছে । কেন্দ্রের দেওয়া টাকা কেন মাদ্রাসাগুলিকে দেওয়ার ব্যবস্থা করছে না রাজ্য সরকার তাও নোটিশে জানতে চাওয়া  হয়েছে ।

নোটিশে আরও বলা হয়েছে রাজ্য সরকার যদি চার সপ্তাহের মধ্যে এই নোটিশের জবাব না দেয় তাহলে, কেন্দ্রীয় সরকারের অনুদান সরাসরি ওই সংশ্লিষ্ট মাদ্রাসাগুলিকে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হবে। ৪ সপ্তাহ পরে এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে।

আবদুল ওহাবের অভিযোগ, কেন্দ্রীয় সরকারের মানব সম্পদ উন্নয়ন দপ্তর থেকে পশ্চিমবঙ্গের অনুমোদিত আন্ এডেড মাদ্রাসাগুলিকে SPQEM scheme থেকে ২০১৩-১৪ শিক্ষাবর্ষে তিনজন  শিক্ষকদের বেতনের টাকা দিয়েছিল কিন্তু পরবতী ২০১৬ সালের ১২/৭/১৬ তারিখের CGIAC এর মিটিং এ রাজ্য সরকারের কোনো প্রতিনিধি উপস্থিত না থাকার কারণে এর কেন্দ্রীয় অনুদান থেকে বঞ্চিত হয়েছে আন এডেড মাদ্রাসা গুলি।রাজ্য সরকারের M.A & M.E dept বার বার বলে আসছে কেন্দ্রীয় সরকার আন এডেড মাদ্রাসাগুলিকে অনুদান দিচ্ছে না।

আবদুল ওহাব আরও বলেন, পশ্চিমবঙ্গ আন এডেড মাদ্রাসা বাঁচাও কমিটির তরফ থেকে তিনি ২০১৭ সালের অক্টোবর মাসে দিল্লীর শাস্ত্রী ভবনে গিয়ে খোঁজ নিয়েছিলেন। তখন নাকি তিনি জানতে পারেন রাজ্য সরকারের গাফিলতির ফলে বঞ্চিত হচ্ছে কেন্দ্রীয় অনুদান থেকে। এর পর তারা শীর্ষ কোর্টে আবেদন করার কথা ভাবেন।

 


শেয়ার করুন
  • 2
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সম্পর্কিত নিবন্ধ

Leave a Comment