আন্তর্জাতিক 

ইসরাইল একটি সন্ত্রাসী রাষ্ট্র : এরদোগান

শেয়ার করুন

বাংলার জনরব ডেস্ক : ইসরাইল একটি সন্ত্রাসী রাষ্ট্র । গাজায় নিরীহ মানুষের উপরে সন্ত্রাস চালিয়ে তাকে নিশ্চিহ্ন করতে চাইছে। গতকাল বুধবার তুরস্কের জাতীয় সংসদে বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রেসিডেন্ট এরদোগান এ কথা বলেছেন। তিনি এদিন বলেন,গাজার নারী ও শিশুদের ওপর ইতিহাসের জঘন্যতম হত্যাকাণ্ডের জন্য ইসরাইল দায়ী এবং তারা গাজায় যুদ্ধ অপরাধ সংঘটিত করছে। এর পাশাপাশি যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজা উপত্যকায় ইসরাইল আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করছে।

এরদোগান বলেন, “আমি সুস্পষ্টভাবে বলছি, ইসরাইল একটি সন্ত্রাসী রাষ্ট্র।”

Advertisement

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট আরও বলেন, “আপনি পরমাণু অস্ত্র দিয়ে হুমকি দিচ্ছেন। কিন্তু আপনার কাছে কী আছে সেটা কোনো ব্যাপার না বরং আপনি মৃত। আপনার কাছে পরমাণু অস্ত্র থাকুক বা না থাকুক, আপনার বিদায় সন্নিকটে।” এ সময় এরদোগান ইসরাইলের রাজনৈতিক ও সামরিক নেতাদের আন্তর্জাতিক আদালতে বিচারের মুখোমুখি করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

প্রেসিডেন্ট এরদোগান বলেন অধিকৃত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে যে সমস্ত অবৈধ ইহুদি বসতি স্থাপনকারী রয়েছে তাদেরকে তিনি সন্ত্রাসী বলে চিহ্নিত করার জন্য আন্তর্জাতিক অঙ্গনে কাজ করবেন। অধিকৃত পশ্চিম তীরে এসব বসতি স্থাপনকারী ইহুদি ফিলিস্তিনি জনগণের ওপর প্রায় সময় সশস্ত্র হামলা চালায়।

তুর্কি প্রেসিডেন্ট আরো বলেন, গাজা উপত্যকায় ইহুদিবাদী ইসরাইলের বর্বর আগ্রাসন ও গণহত্যার খবর সংগ্রহের জন্য কর্মরত সাংবাদিকদের হত্যা করেছে ইসরাইলি সেনারা কিন্তু আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে এ সমস্ত খবর প্রচারিত হচ্ছে না। তিনি বলেন, “গাজার হামাস সন্ত্রাসী সংগঠন নয় বরং ফিলিস্তিনি জনগণের নির্বাচিত রাজনৈতিক নেতৃত্ব। তারা ফিলিস্তিনের নির্বাচনে অংশ নিয়েছে এবং বিজয়ী হয়েছে। ইহুদিবাদী ইসরাইল এবং আমেরিকা যা চুরি করেছে হামাস তা উদ্ধারের চেষ্টা করছে।”

এদিকে, এরদোগানের এই বক্তব্য প্রত্যাখ্যান করে ইসরাইলের  প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু সন্ত্রাসবাদকে সমর্থন করার জন্য তুরস্ককে অভিযুক্ত করেছেন। তিনি বলেছেন, “তুরস্ক হচ্ছে সন্ত্রাসবাদের আসল মদদদাতা এবং অন্যের ব্যাপারে লেকচার দেয়ার কোনো অধিকার তার নেই। এরদোগান নিজেই তার সীমান্তবর্তী তুর্কি গ্রামে বোমা হামলা চালিয়েছেন এবং আমরা তার কোন নসিহত গ্রহণ করবো না । সৌজন্যে রেডিও তেহরান


শেয়ার করুন

সম্পর্কিত নিবন্ধ