শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ধর্মীয় বিদ্বেষ, শিক্ষিকার নির্দেশে সংখ্যালঘু ছাত্রকে সহপাঠীদের থাপ্পড়!
বাংলার জনরব ডেস্ক : শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভেতরে সাম্প্রদায়িক বিভেদ জানিয়ে গোটা ভারত বর্ষ স্তম্ভিত। ধর্মীয় বিদ্বেষের চেহারা কোথায় গিয়ে ঠেকেছে তা উত্তরপ্রদেশের মুজাফফর নগর এর ঘটনা চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে। শিক্ষিকার সামনে এক সংখ্যালঘু ছাত্রকে সহপাঠীদের থাপ্পড় শুধু থাপ্পড় মারাই নয় একইসঙ্গে ওই সংখ্যালঘু ছেলেটির ধর্ম ও সম্প্রদায় সম্পর্কে নানা রকম মন্তব্য করতে দেখা গেছে তারই সহপাঠীদের। আর ঘটনাটি ঘটেছে শিক্ষিকার উপস্থিতিতে জানিয়ে চমকে উঠেছে বিশ্বগুরু ভারত বর্ষ। আর এই ঘটনার ভিডিও ভাইরাল হতেই সমগ্র দেশ জুড়ে শুরু হয়েছে যোগী সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ। এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন জাতীয় কংগ্রেসের নেত্রী প্রিয়াঙ্কা গান্ধী এবং মিম নেতা আসাদ উদ্দিন ওয়াইসি।
প্রশ্ন উঠছে, এভাবে ধর্মীয় বিদ্বেষের বিষ কীভাবে ছড়িয়ে দিচ্ছেন খোদ এক শিক্ষিকা ! মুজাফরগনগের পুলিশ সূত্রে খবর, শিক্ষিকার বিরুদ্ধে বিভাগীয় পদক্ষেপের নির্দেশ দিয়েছে উত্তর প্রদেশের স্কুল শিক্ষা দফতর। স্থানীয় কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ভাইরাল ভিডিওটিতে দু’জনকে নির্দেশ দিতে দেখা গিয়েছে। একজন শিক্ষিকা। অপরজন কে, সেই খোঁজ চলছে।

যদিও ঘটনা ঘিরে তরজা থামছে না। শুরু হয়েছে তীব্র রাজনৈতিক তরজা। ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছে গিরোধীরা। ‘অঙ্কে ওই খুদে পড়ুয়ার ভুল হওয়ায় সহপাঠীদের থাপ্পড় মারতে বলেন শিক্ষিকা। বিভেদের বিষ শিশুদের মনে বুনে স্কুলকে ঘৃণার জায়গা হিসেবে তৈরি করা হচ্ছে, সোশাল মিডিয়ায় পোস্ট রাহুল গাঁধীর (Rahul Gandhi)। একইভাবে চড়া সমালোচনা সুর সাজিয়ে প্রিয়ঙ্কা গাঁধীও বলেছেন, ‘ উন্নত প্রযুক্তির ভরে চাঁদে পৌঁছে গেলাম আমরা, আর উল্টোদিকে দেশে বিদ্বেষের দেওয়াল তোলা হচ্ছে। বিষয়টা পরিষ্কার, দেশের উন্নতির পথে সবথেকে বড় শত্রু হচ্ছে ঘৃণা।’

