কলকাতা 

নজীরবিহীনভাবে পঞ্চায়েত নির্বাচনে অশান্তি ঠেকাতে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন বিশেষ পর্যবেক্ষক নিয়োগ করলো!

শেয়ার করুন

বাংলার জনরব ডেস্ক : তড়িঘড়ি করে পঞ্চায়েত নির্বাচন ঘোষণা করা একইসঙ্গে নির্বাচনের মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সময়সীমা কম রাখা মনোনয়নপত্র জমা দেওয়াকে কেন্দ্র করে রাজ্য জুড়ে অশান্তির প্রেক্ষিতে এবং এক কংগ্রেস কর্মীর মৃত্যুর জন্য কড়া পদক্ষেপ করল জাতীয় মানবাধিকার কমিশন। জাতীয় মানবাধিকার কমিশন রাজ্যের পঞ্চায়েত নির্বাচনে ঢুকে পড়লো বলা যেতে পারে কার্যত। জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের পক্ষ থেকে সিদ্ধান্ত হয়েছে কমিশনের ডিজিকে রাজ্যে বিশেষ পর্যবেক্ষক হিসাবে পাঠানোর।

রবিবার রাতে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের এই বিশেষ সিদ্ধান্ত নিয়ে রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে জানিয়েছে মানবাধিকার কমিশনের ডিজিকে বিশেষ পর্যবেক্ষক হিসাবে স্বীকার করে নিয়ে তার সঙ্গে আলোচনার মধ্য দিয়ে এই রাজ্যে ভোট প্রক্রিয়াকে পরিচালনা করতে হবে। কোন কোন এলাকার বুথ স্পর্শকাতর এবং কোন কোন এলাকার রাজনৈতিক পরিস্থিতি উত্তেজনা প্রবন তা নিয়ে কমিশনের বিশেষ পর্যবেক্ষক এর সঙ্গে আলোচনা করার পর সেই অনুযায়ী নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজাতে হবে। জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে এখনো পর্যন্ত নবান্ন থেকে কোন মন্তব্য করা হয়নি। এমনকি তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকেও কোনো প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি।

সূত্রের খবর শনিবার ডোমকলের তৃণমূল অঞ্চল সভাপতি কাছ থেকে আগ্নেয় অস্ত্র উদ্ধার হওয়ার পর রীতিমতো উদ্বেগ প্রকাশ করে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন। তারপরেই জাতীয় মানবাধিকার কমিশন তাদের ডিজিকে রাজ্যের বিশেষ পর্যবেক্ষক হিসাবে নিযুক্ত করেন সম্ভবত তিনি আজই সোমবার কলকাতায় আসছেন এবং রাজ্য নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে বৈঠক করবেন।

সবমিলিয়ে বলা যেতে পারে তৃণমূল কংগ্রেসের একতরফা হাঙ্গামা এবং অশান্তি সৃষ্টির জন্যই আজ জাতীয় মানবাধিকার কমিশন রাজ্যের নির্বাচন এর বিষয়ে নাক গলাতে শুরু করল এর আগে কোনদিন কোন রাজ্যে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন এই ধরনের কাজ করেছে বলে কোন নজির নেই। কিন্তু পশ্চিমবাংলার ক্ষেত্রে করতে বাধ্য হচ্ছে এই কারণে শাসক দলের কিছু লুমফেন বাহিনী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মত জননেত্রীর ভাব মূর্তিকে কলুষিত করার চেষ্টা করে যাচ্ছে ।এ বিষয়ে তৃণমূল নেতৃত্ব কেন নিরব তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

 


শেয়ার করুন

সম্পর্কিত নিবন্ধ