দেশ 

সাংবাদ-মাধ্যম, বা মিডিয়ার উপর হামলা করার ইচ্ছা ছিল না দাবি মাওবাদীদের

শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

বাংলার জনরব ডেস্ক : দূরদর্শনের ক্যামেরাম্যান অচ্যুতানন্দ শাহুর মৃত্যুর প্রতিবাদে গতকাল সন্ধ্যাতেই মোমবাতি মিছিল বের করেছিলেন সাংবাদিকরা। দিল্লির ইন্ডিয়া গেটের সামনে সেই মিছিল থেকে দান্তেওয়াড়ায় মাওবাদী হামলার নিন্দা করা হয়। পাশাপাশি মিডিয়ার উপর হামলা বন্ধের দাবিতে সরব হন সাংবাদিকরা।

যদিও মিডিয়ার উপর হামলার ইচ্ছা তাদের ছিল না বলে আজ এক প্রেস বিবৃতিতে দাবি করেছে মাওবাদীরা। তাদের বক্তব্য, হামলার মাঝে পড়ে গিয়ে মৃত্যু হয়েছে অচ্যুতানন্দর।

তবে মাওবাদীদের এই দাবি কি আদৌ বিশ্বাসযোগ্য? তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন। কারণ মাওবাদীদের প্রেস বিবৃতির জবাবে দান্তেওয়াড়ার পুলিশ সুপার অভিষেক পল্লব প্রশ্ন তুলেছেন, “যদি মিডিয়ার উপর হামলার ইচ্ছা না থেকে থাকে তাহলে ক্যামেরা লুট করা হল কেন?” এর উত্তরে তিনি নিজেই বলেন, “প্রথম কয়েক মিনিটের ঘটনাক্রম রেকর্ড করা হয়েছিল বলেই ক্যামেরা লুট করা হয়। তাছাড়া ক্যামেরাম্যানের শরীরে একাধিক বুলেটের আঘাত এবং খুলি ভেঙে যাওয়া প্রমাণ করে ভুলবশত তাঁকে খুন করা হয়নি।”

ছত্তিশগড় বিধানসভা নির্বাচনের প্রস্তুতিপর্ব কভার করতে গেছিলেন দূরদর্শনের তিন সাংবাদিক। তাঁদের সঙ্গে ছিলেন সাব ইন্সপেক্টর রুদ্রপ্রতাপ সিং এবং কনস্টেবল মঙ্গলু। দান্তেওয়াড়ায় আরানপুর এলাকার নীলাওয়ার জঙ্গলের কাছে আচমকা হামলা চালায় মাওবাদীরা। মৃত্যু হয় চারজনের। তাঁদের মধ্যেই ছিলেন দূরদর্শনের ক্যামেরাম্যান। তবে রক্ষা পান দূরদর্শনের সাংবাদিক মোরমুকুত শর্মা এবং ধীরজ কুমার।

এই ঘটনার পর ধীরজ কুমার বলেন, “আমরা দান্তেওয়াড়ায় দু’দিন আগে গেছিলাম। নীলাওয়ায় পোলিং স্টেশন করা হয়েছিল। গত ২০ বছর ধরে সেখানে ভোট হয়নি। আমরা সেই খবর কভার করতে গেছিলাম।”

ছত্তিশগড়ের বস্তার ও দান্তেওয়াড়াসহ ৮ মাওবাদী অধ্যুষিত জেলার ১৮টি বিধানসভা এলাকায় প্রথম ধাপের নির্বাচন রয়েছে ১২ নভেম্বর। এদিকে রাজ্যজুড়ে ভোট বয়কটের ডাক দিয়েছে মাওবাদীরা।

 

 


শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সম্পর্কিত নিবন্ধ

Leave a Comment