কলকাতা বিনোদন, সংস্কৃতি ও সাহিত্য 

লোকসংস্কৃতি হল জীবনের সংস্কৃতি, সাময়িক তা কোণঠাসা হতে পারে, তবে কখনোই শেষ হওয়ার নয়

শেয়ার করুন

ত্রিপর্ণা চট্টোপাধ্যায় : করোনায় বিগত তিনটে বছর কৃষ্ণপুর সেন্টার ফর ফোকলোর স্টাডিজ অ্যান্ড রিসার্চ লোকসংস্কৃতির চর্চা করেছে ফেসবুক পেজে কিংবা ইউটিউব চ্যানেলে। সেই খরা কাটিয়ে এবার “লোকসংস্কৃতির বহুমাত্রিকতা ও করোনা উত্তর বাস্তবতা ” বিষয়ে এই সংস্থা আলোচনাচক্রের আয়োজন করেছিল কলেজ স্ট্রিটে ত্রিপুরা হিতসাধিনী সভায়।

ঝাড়খন্ডের কোলহান বিশ্ববিদ্যালয়ের ড. তপন কুমার মন্ডল, জামসেদপুরের অর্কজৈন বিশ্ববিদ্যালয়ের ড. মনোজ কুমার পাঠক, ড. সৌগত চট্টোপাধ্যায়, ড. দেবাশীস বন্দোপাধ্যায়, ড. সুরঞ্জন মিদ্দে প্রমুখ বিশেষজ্ঞের এবং বিভিন্ন কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও গবেষকের উপস্থিতিতে সুন্দর উপভোগ্য আলোচনায় লোকসংস্কৃতির প্রাসঙ্গিক বিষয় উঠে আসে।

সংস্থার সভাপতি লোকসংস্কৃতিবিদ ও কল্যাণী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. কাকলী ধারা মণ্ডল বললেন বাংলা ভাষাসংস্কৃতি ও লোকসংস্কৃতি আজ বিশ্বায়নের বাজারে কোনঠাসা হয়ে পড়েছে। এ ব্যাপারে আমাদের সচেতন থাকতে হবে। লোকসংস্কৃতি ঐতিহ্যের চর্চা আমাদের বিচ্ছিন্নতাবাদ থেকে আমাদের দূরে রাখবে। বাংলা ভাষা আজ বৈশ্বিক ভাষা। বাংলা লোকসংস্কৃতির বহু উপাদান ইউনেস্কোর ঐতিহ্য তালিকায় স্বীকৃতি পেয়েছে।

এই মনোজ্ঞ অনুষ্ঠানে লোকসংস্কৃতি বিষয়ক গবেষণা পত্রিকা ঐতিহ্য দ্যা ট্র‍্যাডিশন এর সপ্তম সংখ্যা প্রকাশিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে ইতিহাসের অধ্যাপক ড. জিতেশ চন্দ্র রায়ের ‘রাজবংশী ইতিহাস ও লোকসংস্কৃতি ‘ গ্রন্থটি প্রকাশিত হয়। তিনটি অধিবেশনে লোকসংস্কৃতি বিষয়ক গবেষণামূলক বেশকিছু প্রবন্ধ পঠিত ও আলোচিত হয়েছে। সম্পাদক ড. দেবাশিস বন্দ্যোপাধ্যায় সংস্থা আয়োজিত উপস্থিত সকলকে আহ্বান করেন ক্ষেত্র গবেষণা সহ গ্রাম সমীক্ষার কাজে সকলকে অংশগ্রহণের জন্য।


শেয়ার করুন

সম্পর্কিত নিবন্ধ