ধুমধাম করে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে উত্তর ২৪ পরগনার বারাসাত শতদল মাঠে পালিত হলো পূজা কার্নিভাল
বিশেষ প্রতিবেদন, বারাসাত : ইউনেস্কোর হেরিটেজ তালিকায় বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব দুর্গাপূজা অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় এবছর আনন্দের সীমা দ্বিগুণ বেড়ে গেছে। করোনা প্রকোপের কারনে গত দুই বছর সেভাবে অনুষ্ঠান না হলেও এবার সুদে আসলে উসুল করে নিতে এগিয়ে ছিল আপামর জনসাধারণ।

উল্লেখ্য শনিবার কলকাতার রেড রোডে অনুষ্ঠিত হবে পূজা কার্নিভাল।তার আগেই শুক্রবার প্রতিটি জেলায় প্রশাসনের উদ্যোগে পূজা কার্নিভাল অনুষ্ঠিত হলো। রাজ্য সরকারের মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী শ্রীমতি মমতা ব্যানার্জির অনুপ্রেরণায় উঃ চব্বিশ পরগনা জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে বারাসাত শতদল মাঠ থেকে ২৪ টি পূজার প্রতিমা নিয়ে সুসজ্জিত শোভাযাত্রা বের হয়।

শোভাযাত্রায় উপস্থিত হয়ে রাজ্য সরকারের মন্ত্রী শ্রী রথীন ঘোষ জানায় এইধরনের আনন্দদায়ক ভাবনা একমাত্র মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পক্ষে সম্ভব। মন্ত্রী শ্রী পার্থ ভৌমিক জানায় বিরোধীরা যতই দূর্গাপূজা নিয়ে অপপ্রচার করুক বাঙালি সমাজ কখনই ভালো ভাবে নেবে না।তাই উৎসবের আমেজে সমগ্ৰ বাংলার পাশাপাশি দেশের গন্ডি ছাড়িয়ে বিশ্বে সমাদৃত হচ্ছে । জেলাশাসক শ্রী শরদ কুমার দ্বিবেদী জানায় অত্যন্ত সুষ্ঠ পরিবেশে জেলার ২৪ টি পূজা কমিটির কর্মকর্তা ও প্রশাসনিক আধিকারিক এবং জনপ্রতিনিধিদের নিয়ে সুসজ্জিত শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়।

ছিলেন বিধানসভায় সরকার পক্ষের মুখ্য সচেতক শ্রী নির্মল ঘোষ, জেলা পুলিশ সুপার রাজনারায়ণ মুখার্জি, বিধায়ক শ্রী নারায়ন গোস্বামী,কার্নিভালের প্রস্তুতি সহ যেকোন অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে কাজ করে উঃ চব্বিশ পরগনা জেলা পরিষদের বন ও ভূমি স্থায়ী সমিতির কর্মাধ্যক্ষ একেএম ফারহাদ, অতিরিক্ত জেলাশাসক পৃতী গোয়েল, ইন্দ্রনীল ভট্টাচার্য, তাহেরুজ্জমান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বিশ্বচাঁদ ঠাকুর,মহাকুমা শাসক সোমা সাউ সহ বিভিন্ন স্তরের আধিকারিক ও জনপ্রতিনিধি এবং অসংখ্য আনন্দ প্রেমী মানুষজন।

