বিনোদন, সংস্কৃতি ও সাহিত্য 

কৃষ্ণনগরের গ্রেস কটেজে কাজী নজরুলের ৪৬তম প্রয়াণ বার্ষিকী পালন করলো সাংস্কৃতিক সংস্থা সুজন বাসর

শেয়ার করুন

বিশেষ প্রতিনিধি: ২৯ আগস্ট ২০২২ (সোমবার) কাজী নজরুল ইসলাম স্মৃতিধন্য কৃষ্ণনগরের গ্রেস কটেজে তাঁর ৪৬তম প্রয়াণ বার্ষিকী পালন করা হয়। কৃষ্ণনগরের এই বাড়িটিতে কাজী নজরুল ইসলাম ১৯২৬ থেকে ১৯২৮ সাল — প্রায় আড়াই বছর বসবাস করেছিলেন। কৃষ্ণনগরের সাংস্কৃতিক সংস্থা সুজন বাসরের উদ্যোগে কবির ৪৬তম প্রয়াণ বার্ষিকীতে এই গ্রেস কটেজেই এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে নজরুলকে স্মরণ করা হয়।

গ্রেস কটেজের বাইরের উদ্যানে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও নজরুল ইসলামের যে আবক্ষ মূর্তি রয়েছে সেখানে মাল্যদানের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। মাল্য অর্পণ করেন রতনকুমার ঘোষ ও সঞ্জয় রাহা। গ্রেস কটেজের ভিতরে কবির আবক্ষ মূর্তিতে মাল্যদান করেন দেবাশিস মন্ডল ও দীপঙ্কর দাস। তারপর সমগ্র সকাল ধরে কবিতা, গান, আলোচনার মাধ্যমে নজরুলকে শ্রদ্ধা-স্মরণ করা হয়। অনুষ্ঠানের পৌরহিত্য করেন দীপঙ্কর দাস এবং অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন ইনাস উদ্দীন। সুজন বাসরের বন্ধুরা এবং গ্রেস কটেজে আগত অতিথিবর্গ সকলে স্বতঃস্ফূর্তভাবে এদিনের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন। সমবেত কন্ঠে গাওয়া হয়— “দুর্গম গিরি কান্তার মরু দুস্তর পারাবার হে! লঙ্ঘিতে হবে রাত্রি নিশীথে, যাত্রীরা হুঁশিয়ার।” নজরুলের প্রয়াণ দিবসের অনুষ্ঠানে বিশিষ্টদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন নদিয়া জেলা পরিষদের সচিব সৌমেন দত্ত, কলকাতার একটি বাচিক সংস্থার পক্ষ থেকে রতনকুমার ঘোষ প্রমুখরা। কৃষ্ণনগরের গ্রেস কটেজে কাজী নজরুলের ৪৬তম প্রয়াণ বার্ষিকী অনুষ্ঠানের আয়োজন সম্পর্কে দীপাঞ্জন দে বলেন, “নজরুল স্মৃতিধন্য এই গ্রেস কটেজে বছরভর বিভিন্ন ধরনের অনুষ্ঠান হয় এবং সেগুলির মধ্যে দিয়ে আমরা সুজনেরা নজরুল ইসলামকে নিজেদের মননে ধারণ করেছি। তিনি আমাদের প্রাণের মানুষ। কৃষ্ণনগরের এই বাড়িটিতে নজরুল কিছুকাল ছিলেন —এ কথা ভাবলেই কেমন যেন শিহরণ জাগে।”

Advertisement

শেয়ার করুন

সম্পর্কিত নিবন্ধ