SLST Scam: নবম-দশম শিক্ষক নিয়োগ মামলাতেও সিবিআই তদন্তের নির্দেশ হাইকোর্টের
বাংলার জনরব ডেস্ক : নজিরবিহীনভাবে কলকাতা হাইকোর্ট আজ বৃহস্পতিবার নবম-দশম শিক্ষক নিয়োগের দুর্নীতির তদন্ত করার জন্য সিবিআইকে দায়িত্ব দিয়েছে । হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় আজ বলেছেন নবম দশম শ্রেণির শিক্ষক নিয়োগের যে দুর্নীতি হয়েছে তার তদন্ত হওয়া প্রয়োজন। একইসঙ্গে এ দিন এসএসসির প্রাক্তন উপদেষ্টা এসপি সিনহাকে চূড়ান্ত ভৎসনা করেন কলকাতা হাইকোর্ট। হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় বলেছেন, শান্তি প্রসাদ সিনহা প্রতিনিয়ত নির্লজ্জ মিথ্যাচার করে গেছেন। শুধু তাই নয় বলা হয়েছে যে উপদেষ্টা কমিটির কোনো বৈঠক হয়নি। এখন জানা যাচ্ছে, কমপক্ষে দূটি বৈঠক হয়েছে তারও বেশি হতে পারে। এদিন মামলাকারীর আইনজীবী অভিযোগ করেন উপদেষ্টা কমিটির বৈঠক খোদ শিক্ষামন্ত্রী চেম্বারে হয়েছে। সরকার পক্ষের আইনজীবী এই অভিযোগ খণ্ডন করে বলেন যে শিক্ষামন্ত্রী চেম্বার এ বৈঠক হয়নি যদি বৈঠক হয়ে থাকে তাহলে সেটা হতে পারে শিক্ষামন্ত্রী আত্মসহায়ক এর চেম্বারে। যাই হোক শেষ পর্যন্ত নবম-দশম শ্রেণীর শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়াটির অনিয়ম তদন্ত করার জন্য সিবিআই এর হাতে তুলে দেয়া হলো।
এদিন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় নির্দেশ দিতে গিয়ে বলেছেন কোন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বকে প্রয়োজন হলে জেরা করতে পারে সিবিআই। একইসঙ্গে এই মামলায় আলাদা একটা এফআইআর দায়ের করে তদন্ত শুরু করতে হবে আগামী ২৪ ঘন্টার মধ্যে তদন্তের প্রাথমিক রিপোর্ট হাইকোর্টে পেশ করার নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি।

নবম-দশম শিক্ষক নিয়োগ মামলা সিবিআই তদন্তের নির্দেশ কলকাতা হাই কোর্টের। শুক্রবারের মধ্যে রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ আদালতের। কাউকে রেয়াত নয়, সিবিআই চাইলে যে কোনও সামাজিক এবং রাজনৈতিক ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারবে বলেও জানিয়ে দল আদালত। বৃহস্পতিবার বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় নির্দেশ সিবিআইকে সেই স্বাধীনতা দিল। শান্তিপ্রসাদ সিন্হা ও জড়িত অন্যান্য সদস্যদের জিজ্ঞাসাবাদ করবে সিবিআই। নতুন করে অভিযোগ দায়ের করে মামলার তদন্ত শুরু করার নির্দেশ দিয়েছে আদালত।
হাই কোর্টে নির্দেশ প্রসঙ্গে কুণাল ঘোষ বলেন, ‘‘আমি এখনও আদালতের নির্দেশ দেখিনি। না দেখে কোনও মন্তব্য করব না। তবে বিচারপতি যে ভাবে সিবিআইয়ের উপর আস্থা প্রকাশ করছেন, অতটা সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতিও করেন না।’’
এদিন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, ‘‘বার কাউন্সিল থেকে কলকাতা হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতির কাছে আমার নামে চিঠি দেওয়া হয়েছে। ওই চিঠি কে লিখেছেন, আমি জানি। চিঠির ভাষা থেকে আমাদের শেখা উচিত। বিচারপতি কারনানের সঙ্গে আমাকে তুলনা করা হয়েছে।’’

