কলকাতা 

‘পুলিশ ঠিক লাইনে এগোচ্ছে…..’ আপ্ত সহায়ক খুনের তদন্ত নিয়ে প্রতিক্রিয়া শুভেন্দুর

শেয়ার করুন

বিশেষ প্রতিনিধি : শুভেন্দু অধিকারীর আপ্তসহায়ক চন্দ্রনাথ রথকে খুনের ঘটনায় উত্তাল রাজ্য রাজনীতি। সেই আবহেই বারাসাত মেডিক্যাল কলেজের মর্গে পৌঁছলেন শুভেন্দু। এদিন শুভেন্দু জানান, পুলিশ সঠিক পথেই তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। আর কিছু ক্ষণের মধ্য়েই সত্য বেরিয়ে আসবে বলেও আশাবাদী তিনি।

বৃহস্পতিবার দুপুরে বারাসাত মেডিক্যাল কলেজে পৌঁছন শুভেন্দু। সেখানে তখন পুলিশে ছয়লাপ। সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে বলেন, “ইয়ং ছেলে, প্রাক্তন বায়ুসেনা, দেশপ্রেমী ছেলে…নৃশংস ভাবে খুন করা হয়েছে।” চন্দ্রনাথের খুন স্থানীয় দুষ্কৃতীদের যে সংযোগ উঠে আসছে, তা নিয়ে বলেন, “স্থানীয় দুষ্কৃতী ছাড়া রেকি করবে কে?”

Advertisement

তবে পুলিশের উপর আস্থা রাখতে বলেন শুভেন্দু। তাঁকে বলতে শোনা যায়, “পুলিশ করছে, আমার সঙ্গে ডিজিপি সাহেবের কথা হয়েছে। কিছু ক্লুও পাওয়া গিয়েছে। তুলেছে কয়েকজনকে। আমার বিশ্বাস আছে, পুলিশ যথাসময়ে বলবে। সিআইডি, ফরেন্সিক, সিট…সবটা করে করছে। আমার মনে হয়, একটু ওয়েট করা উচিত। পুলিশ ঠিক লাইনে এগোচ্ছে। পুলিশ পারে। আমাদের রাজ্যে পুলিশ পারে না এমন কোনও কাজ নেই। পুলিশকে করতে দেওয়া হয়নি।”

চন্দ্রনাথকে খুনের ঘটনায় কৌস্তভ বাগচি-সহ অনেকেই সরাসরি তৃণমূলের দিকে আঙুল তুলেছেন। পাল্টা তৃণমূলের তরফে দাবি জানানো হয়েছে সিবিআই তদন্তের। সেই নিয়ে প্রশ্ন করলে শুভেন্দু বলেন, “পশ্চিমবঙ্গে আর তৃণমূলের প্রাসঙ্গিকতা নেই। ওদের গুরুত্ব দেওয়ার দরকার নেই। পুলিশই খোলসা করবে।”

এখনও পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, চন্দ্রনাথের গাড়ি ঘিরে পর পর ১০ রাউন্ড গুলি। ছোড়া হয়। স্বয়ংক্রিয় অত্যাধুনিক আগ্নেয়াস্ত্র থেকে গুলি চালানো হয়। গুলি চালিয়ে দুষ্কৃতীরা রাজারহাটের দিকে পালায় বলে অভিযোগ। এই ঘটনায় স্থানীয় তিন দুষ্কৃতীকে আটক করে চলছে জিজ্ঞাসাবাদ। রাস্তার একাধিক CCTV ক্যামেরার ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বেশ কয়েক দিন ধরে রেকি করে তবেই চন্দ্রনাথকে খুন করা হয় বলে জানা যাচ্ছে।

চন্দ্রনাথের সঙ্গে গাড়িতে থাকা চালক এখনও হাসপাতালে। তিনি সুস্থ হলে আরও তথ্য় পাওয়া যাবে বলে মনে করা হচ্ছে। চন্দ্রনাথের দেহ চণ্ডীপুরের বাড়িতেও নিয়ে যাওয়া হবে। চন্দ্রনাথকে শ্রদ্ধার্ঘ জানাবেন শুভেন্দু। পুলিশ সূত্রে খবর, চন্দ্রনাথকে খুন করতে স্থানীয় দুষ্কৃতীদের কাজে লাগানো হতে পারে। তাই তিন স্থানীয় দুষ্কৃতীকে আটক করা হয়েছে। যে মোটর বাইকটি যশোর রোড থেকে পেয়াপাবাগান থেকে অনুসরণ করে এসেছিল। নিসান গাড়ির সঙ্গে যোগাযোগও ছিল দুষ্কৃতীদের।


শেয়ার করুন

সম্পর্কিত নিবন্ধ