কলকাতা 

Municipal Election 2022 : চার পুর নিগমের নির্বাচন পিছিয়ে যাচ্ছে, সম্ভবত ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন হবে!

শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

বাংলার জনরব ডেস্ক : কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশ মেনে আগামী তিন সপ্তাহ পিছিয়ে যাচ্ছে রাজ্যের চার পুরনিগমের ভোট। কলকাতা হাইকোর্টের পক্ষ থেকে রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে নির্দেশ দেয়া হয় বর্তমান করোনা পরিস্থিতি ৪ থেকে ৮ সপ্তাহ এই নির্বাচন পেছানো যায় কিনা তা ভেবে দেখতে বলে। এর পরিপ্রেক্ষিতে রাজ্য নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে রাজ্য সরকারকে চিঠি দিয়ে নির্বাচন পিছিয়ে দেওয়া যায় কিনা তা নিয়ে পরামর্শ চায়। সূত্রের খবর রাজ্য সরকার নির্বাচন পিছিয়ে দেয়ার পক্ষে মত প্রকাশ করেছে। জানা গেছে আগামী ১২ ই ফেব্রুয়ারি ৪ পুরনিগমের নির্বাচন করতে চাই রাজ্য সরকার এই মর্মে নির্বাচন কমিশনের কাছে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে।

উল্লেখ্য,পুরভোট পিছনোর দাবি নিয়ে একাধিক মামলার পর্যালোচনার পর শুক্রবার প্রধান বিচারপতি প্রকাশ শ্রীবাস্তবের ডিভিশন বেঞ্চ তাদের রায়ে বলে, “আমাদের মতামত হল রাজ্যের বর্তমান সংক্রমণ পরিস্থিতি এবং নির্বাচন হতে যাওয়া চার পুরনিগমের কোভিড পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে নির্বাচন পিছিয়ে দেওয়ার ব্যাপারে যথাযথ সিদ্ধান্ত নেবে রাজ্য নির্বাচন কমিশন (West Bengal State Election Commission)।” আদালতের নির্দেশ, এই পরিস্থিতিতে নির্বাচন হলে তা জনস্বার্থের পক্ষে হিতকর হবে নাকি তা খতিয়ে দেখতে হবে। এবং নির্বাচন চার থেকে ছয় সপ্তাহ পিছিয়ে দেওয়া যায় কি না তা বিবেচনা করে আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে সিদ্ধান্ত জানাতে হবে রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে।

আদালতের (Calcutta High Court) তরফে নির্দেশ আসার পরই তৎপরতা শুরু করে দিয়েছে রাজ্য নির্বাচন কমিশন। সূত্রের খবর, শনিবার বেলার দিকে স্টেট ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট অথরিটির আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করবেন কমিশন কর্তারা। বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন আইনজীবীরাও। ওই বৈঠকের পরই নতুন ভোটের দিন ঘোষণা করা হবে।

শুক্রবার রাতের খবর, সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে ১২ ফেব্রুয়ারি চার পুরসভার ভোট হবে। তবে শুক্রবার হাই কোর্ট যে রায় দিয়েছে তাতে স্পষ্ট, বর্তমান কোভিড পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে ভোট করানো বা ভোট স্থগিতের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হবে কমিশনকেই। তারাই ‘স্বাধীন ভাবে’ বিবেচনা করবে এই পরিস্থিতিতে ভোট করানো উচিত কি না।

এই নির্দেশের পাশাপাশি মামলাটিরও নিষ্পত্তি করেছে আদালত। ফলে কমিশন যে সিদ্ধান্ত নিক না কেন তা তাদের আর আদালতে জানানোর বাধ্যবাধকতা থাকছে না। মামলাকারীদের উদ্দেশে আদালত জানিয়েছে, ওই চার পুরনিগমের কোভিড পরিস্থিতি নিয়ে যত তথ্য রয়েছে তা কমিশনের কাছে জমা দিতে পারবেন মামলাকারীরা।

সূত্রের খবর, কঠোর বিধি জারি রেখে ওই চার পুরনিগমের নির্বাচন করাতে চাইছে কমিশন। ভোট প্রচার থেকে শুরু করে সব ক্ষেত্রেই একাধিক বিধিনিষেধ জারি হয়েছে। কোয়ারেন্টাইন এলাকার ভোটারদের ভোটদানের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা করা হয়েছে। প্রয়োজনে আরও কঠোর বিধি জারি করে ভোটগ্রহণ করা হবে। এদিকে, হাই কোর্টের রায়ের পরও ভোট পিছিয়ে দেওয়ার অবস্থানে অনড় বিজেপি (BJP) সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তিনি বলেন, “কমিশনকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। মানুষের প্রাণ বিপন্ন করে গণতন্ত্র রক্ষার কোনও মানে হয় না। ভোট পিছনোর দরকার এটা সবাই বুঝেছেন।”


শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সম্পর্কিত নিবন্ধ