আন্তর্জাতিক 

Coronavirus in USA: আমেরিকায় করানো সুনামি, দিনে গড়ে ৪ লক্ষ সংক্রমণ! চিন্তায় মার্কিন প্রশাসন

শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

বাংলার জনরব ডেস্ক : কয়েক দিন আগেও আমেরিকায় দৈনিক সংক্রমণ ছিল গড়ে আড়াই লক্ষের মতো। সাত দিন পর পরিস্থিতি আরও ভয়ানক হয়েছে, এখন আমেরিকায় গড় দৈনিক সংক্রমণ ৪ লক্ষ ছাড়িয়েছে। ফলে হাসপাতাল উপচে যাচ্ছে রোগীতে, শয্যা অমিল বহু জায়গায়।

সংক্রমণ মারাত্মকভাবে বেড়ে যাওয়ায় লক্ষ লক্ষ মানুষ ঘরবন্দি। প্রশাসনের কাজকর্মেও ব্যাঘাত ঘটছে। ব্যবসা-বাণিজ্যও ক্ষতির মুখে। এ অবস্থায় সংক্রমণ চিহ্নিত করা ও করোনা-মুক্ত কিনা জানতে, ঘনঘন পরীক্ষা করাতে বলা হচ্ছে লোকজনকে। একই পরামর্শ দেওয়া হয়েছে ইউরোপের বিভিন্ন দেশেও। বিশেষ করে বহু লোকের শরীরে ওমিক্রন সংক্রমণের পরে কোনও উপসর্গ নেই। ফলে পরীক্ষা না-করালে রোগ ধরার উপায় থাকছে না। কিন্তু উপসর্গহীন ব্যক্তি আরও বহু লোকের মধ্যে কোভিড ছড়িয়ে দিচ্ছে। ওমিক্রনকে ধরতে তাই দেশের সব বাসিন্দাকেই (উপসর্গ না থাকলেও) করোনা পরীক্ষা করাতে বলা হচ্ছে।

লাখো মানুষের ঘরবন্দি দশায় দেশের অর্থনীতি নিয়ে চিন্তায় জো বাইডেনের সরকার। সম্ভবত, দেশবাসীর সুস্থতারও থেকেও বেশি চিন্তিত। তাই গত সপ্তাহে আমেরিকার স্বাস্থ্য দফতর বিচ্ছিন্নবাসে থাকার সময়সীমা কমিয়ে ৫ দিন আইসোলেশনে থাকার নির্দেশিকা জারি করেছে। আগে ১০ দিন আলাদা থাকতে হত। ‘ইউএস সেন্টারস ফর ডিজ়িজ় কন্ট্রোল’ (সিডিসি)-র প্রধান রোশেল ওয়ালেনস্কি আবার জানিয়েছেন, কোয়রান্টিন থেকে বেরোনোর আগে পিসিআর টেস্ট করানোরও দরকার নেই। তাঁর যুক্তি, সংক্রমণের ১২ সপ্তাহ পরেও পজ়িটিভ আসতে পারে রিপোর্ট। তাই ৫ দিন আলাদা থাকলেই হবে।আমেরিকার স্বাস্থ্য বিশারদরা কিন্তু অন্য কথা বলছেন।

তবে এত দৈনিক সংক্রমণে ঘন ঘন করোনা পরীক্ষা করতে হলে, বাজারে যথেষ্ট পরিমাণ পরীক্ষার কিট থাকা প্রয়োজন। ইতিমধ্যেই এর অভাব রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সেই সঙ্গে এটাও স্পষ্ট, সংক্রমণ আরও বাড়বে। ফাউচি আজ একটি বৈঠকে সে কথা সাফ জানিয়েছেন। বস্তুত, এখন দিনে ৪ লক্ষ সংক্রমণ হলে, কোথায় গিয়ে সংক্রমণের রেখচিত্র শীর্ষ ছোঁবে, তা নিয়ে আতঙ্ক বাড়ছে।


শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সম্পর্কিত নিবন্ধ