কলকাতা 

পশ্চিমবাংলায় জাতীয় নাগরিক পঞ্জি করার দাবিতে কলকাতায় মিছিল করল বিজেপি,অসমে তৃণমূল প্রতিনিধিদের ঘাড়ধাক্কা দিয়ে বের করে দেওয়া উচিত ছিল বললেন রাহুল

শেয়ার করুন
  • 10
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

নিজস্ব প্রতিনিধি : বিজেপি এনআরসি ইস্যুতে এবার পশ্চিমবাংলাতেও রাজনৈতিক আন্দোলন জোরদার করতে শুরু করেছে। লোকসভা নির্বাচন যতই এগিয়ে আসছে ততই বিজেপি এরাজ্যে নতুন করে হিন্দুত্ব ও অনুপ্রবেশ ইস্যুকে সামনে এনে বাজি মাত করতে চাইছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অসমের জাতীয় নাগরিক পঞ্জি নিয়ে মুখ খোলার পরই আবার নতুন করে অনুপ্রবেশ ইস্যুতে শান দেওয়া শুরু করল বিজেপি । আজ কলকাতায় তারা এই ইস্যুতে বড় বিক্ষোভ মিছিলও করে।

অসম ও পশ্চিমবঙ্গে অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে প্রশাসনকে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে এই দাবিতে আজ বিজেপি  কলকাতায় মিছিল করে। মিছিলটি দেশপ্রিয় পার্ক থেকে শুরু হয়। এই মিছিলে বিজেপি আরও দাবি করে পশ্চিমবঙ্গেও অসমের মতো নাগরিকপঞ্জি প্রকাশ করতে হবে। মিছিলে ছিলেন রাজু বন্দ্যোপাধ্যায়, সঞ্জয় সিং, সায়ন্তন বসু ও লকেট চট্টোপাধ্যায়। হাজরা মোড়ে পুলিশ মিছিল আটকালে সেখানেই রাস্তা অবরোধ করেন দলের  মহিলা মোর্চা কর্মীরা। রাস্তায় বসে পড়েন তাঁরা। অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে রাস্তা। পরে পুলিশের আবেদনে অবরোধ তুলে নেওয়া হয়। রাজ্য বিজেপির-র মহিলা মোর্চার সভানেত্রী লকেট চট্টোপাধ্যায় বলেন, “তৃণমূল সাংসদরা অসমে গেছেন অশান্তি পাকানোর জন্য। অসম শান্ত রয়েছে। এখন ওনারা পশ্চিমবঙ্গে অশান্তি করে অসমে গেছেন। এনআরসিতে বাঙালি ও অসমিয়া সেন্টিমেন্ট নিয়ে খেলা হচ্ছে না। এখানে বলা হয়েছে, বিদেশি আর ভারতীয়দের কথা। অত্যাচারিত হয়ে যারা বাংলাদেশ থেকে এদেশে এসেছেন তাঁরা শরণার্থী। তাঁদের সবসময় স্বাগত। কিন্তু, যারা অবৈধভাবে ঢুকেছে তাদের কোনও স্থান নেই এদেশে। আমরা পশ্চিমবঙ্গেও নাগরিক পঞ্জি  চাই।”

এ প্রসঙ্গে দলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক সায়ন্তন বসু বলেন, “অসমের পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। তৃণমূলের ওখানে অশান্তি করার চেষ্টা করছে। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীও সেটাই চাইছেন। তাই অসম সরকারের মনে হয়েছে তৃণমূল সাংসদ ও মন্ত্রীদের আটকানো হয়েছে। অসমে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। কোথাও ইট ছোড়ার ঘটনা ঘটেনি।”তিনি আরও বলেন, “গোটা অসমে এমন কাউকে খুঁজে পাওয়া যাবে না যে তৃণমূল করে। তাই তৃণমূল সাংসদ ও মন্ত্রীরা কেন ওখানে গেছেন? মুখ্যমন্ত্রী এখান থেকে যা বিবৃতি দিচ্ছেন তাতে অসম ও পশ্চিমবঙ্গ দু’জায়গাতেই অশান্তি হবে। একটি ঘটনার জন্যও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দায়ি থাকবেন। তিনি কী চান, দুটো রাজ্যেই গোলমাল হোক।”

এদিকে অসমের তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ-মন্ত্রী-বিধায়কদের পুলিশ হেনস্থা করেছে বলে যে অভিযোগ উঠেছে তা নিয়ে প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে বিজেপি-র জাতীয় সম্পাদক রাহুল সিনহা বলেন, তৃণমূল প্রতিনিধি ওখানে কী করতে গিয়েছেন ? অসম পুলিশ সঠিক কাজ করেছে। আমার মতে ওদেরকে ঘাড়ধাক্কা দিয়ে বের করে দেওয়া উচিত ছিল।

 

 

 

 

 

 


শেয়ার করুন
  • 10
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সম্পর্কিত নিবন্ধ

Leave a Comment