দেশ 

সোস্যাল মিডিয়ায় সমালোচনার ঝড় সামলাতে না পারার কারণেই কী সন্ন্যাস নেওয়ার সিদ্ধান্ত মোদীর? নেপথ্য কারণ জানতে হলে ক্লিক করুন

শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

বাংলার জনরব ডেস্ক : সোস্যাল মিডিয়া থেকে সরে যাচ্ছেন নরেন্দ্র মোদী ? কেন এই সিদ্ধান্ত ? তাহলে কি চীনের পথেই হাঁটতে চলেছে মোদী । নাকি দেশে ঘটে যাওয়া নানা ঘটনা নিয়ে বিব্রত মোদী । সোস্যাল মিডিয়ায় সমালোচনার ঝড় সামলাতে পারছেন না বলেই মোদীর এই ত্যাগ । প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী জানিয়েছেন , তিনি সোস্যাল মিডিয়া ত্যাগ করার কথা জানিয়েছেন । আগামী রবিবার থেকে মোদিজি সোস্যাল মিডিয়া থেকে সরে যাবেন বলে জানিয়েছেন । তবে আশারা কথা এই যে তিনি এও বলেছেন কেন সরে যাচ্ছেন তার ব্যাখ্যা দেবেন ।

মোদী এই টুইট প্রকাশ্যে আসার পরেই কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী বলেছেন , ঘৃণা ছাড়ুন । সোস্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট নয় । ভোট-প্রচারে সোশ্যাল মিডিয়াকে প্রায় শিল্পের পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া মোদী সত্যিই অ্যাকাউন্ট বন্ধ করবেন কি না, তা এখনও নিশ্চিত নয়।  তবে সোস্যাল মিডিয়াতে সমানে কটাক্ষ চলছে । কেউ কেউ লিখেছে,‘‘এ অনেকটা শোলে-তে ট্যাঙ্কে উঠে বীরুর আত্মহত্যার হুমকির মতো! আখেরে যা ঘটবে না।’’ আবার মেট্রোর কামরায় প্রশ্ন, ‘‘চিনের মতো ভারতেও মত প্রকাশের সব রাস্তা কি বন্ধ করে দেওয়া হবে? সারা দেশই কাশ্মীর হয়ে যাবে নাকি?’’ কারও জিজ্ঞাসা, ‘‘ভোট-প্রচার থেকে বিরোধীদের নেটে হেনস্থা (ট্রোল)— সব বিষয়ে সিদ্ধহস্ত বিজেপি নেতা ‘সন্ন্যাস’ নিতে যাবেন কেন?’’ কারও আবার মনে হচ্ছে, মার্কিন বহুজাতিককে হটিয়ে হয়তো ‘দেশি অবতার’ আনার কথা ঘোষণা করবেন মোদী। গ্রাহকদের যাবতীয় তথ্য বহুজাতিক তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থার হাতে যাওয়া নিয়ে দীর্ঘদিন দড়ি টানাটানি চলছে ভারত এবং আমেরিকার মধ্যে। এই জল্পনায় ইন্ধন জুগিয়েছে আরও কিছু তথ্য।

প্রথমত, সঙ্ঘ পরিবার স্বদেশি সোশ্যাল মিডিয়ার পক্ষপাতী। আজও স্বদেশি জাগরণ মঞ্চের অশ্বিনী মহাজনের টুইট, ‘‘কখনও এ ভাবে ছেড়ে দেবেন না। বরং টুইটার, হোয়াটসঅ্যাপ, ফেসবুক, ইনস্টাগ্রামের দেশি সংস্করণ তৈরিতে সহায়তা করুন।’’ দ্বিতীয়ত, মন্ত্রী ও আমলাদের নিজেদের মধ্যে কথা বলার জন্য হোয়াটসঅ্যাপের ধাঁচে মেসেজিং সার্ভিস তৈরি করছে ন্যাশনাল ইনফর্মেটিক্স সেন্টার। বিভিন্ন সরকারি ওয়েবসাইট তৈরির দায়িত্বে থাকা ওই সংস্থার এই পাইলট প্রকল্পের নাম জিআইএমএস। অনেকের প্রশ্ন, তার পরিধি বাড়িয়ে ‘দেশি হোয়াটসঅ্যাপ’ কি স্রেফ সময়ের অপেক্ষা?

তবে মোদী সোস্যাল মিডিয়া ত্যাগের নেপথ্যে সমালোচনায় মূল লক্ষ্য । এতদিন ধরে বিজেপির আইটি সেল যা করে চলেছিল তা িএখন সম্ভব হচ্ছে না । কারণ বিজেপির আইটি সেলের চালাকি ধরে ফেলেছে সাধারণ মানুষ । তারা এমন ভাষায় বিজেপি বিভাজনের রাজনীতির বিরুদ্ধে লড়াই করছে তাতে অনেকটাই ব্যাকফুটে মোদী-শাহ । মোদী-শাহদের বিরুদ্ধে সোস্যাল মিডিয়ায় এই আওয়াজ গত কয়েক মাস ধরে উঠেছে তাকে সামাল দিতে পারছেন না । তাই নিজেই সরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ।

আর সরে যাওয়ার নেপথ্যে সোস্যাল মিডিয়ায় রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে । চীনের মত ফতোয়া হতে পারে কেউ সোস্যাল মিডিয়ায় থাকতে পারবে না । আবার এও হতে পারে সোস্যাল মিডিয়ার দেশীয় করণ হতে পারে। তবে প্রশ্নের উত্তর পাওয়া যাবে আগামী রবিবার । এটা ঠিক সোস্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে ভারতে জনমানষে উঠে আসে মোদী নামটি এখন সোস্যাল মিডিয়াতেই সমালোচনার লক্ষ্য হয়ে উঠেছে ।


শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সম্পর্কিত নিবন্ধ

Leave a Comment