কলকাতা 

মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশন মামলায় নয়া মোড় , সুপ্রিম রায়ের পুনর্বিবেচেনার আর্জির শুনানী শুক্রবার

শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

বাংলার জনরব ডেস্ক : শেষ হয়েও হইল না শেষ । ছোট গল্পের সংজ্ঞার মতই রাজ্যের মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশন মামলার রায় নিয়ে ফের অনিশ্চয়তা তৈরি হয়ে গেল । কাঁথি রহমানিয়ার পক্ষ থেকে মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশনকে অসাংবিধানিক বলে আদালতে মামলা করা হয় । সেই মামলায় ২০১৪ সালে কলকাতা হাইকোর্টের সিঙ্গেল বেঞ্চ , পরে ২০১৫ সালে কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ রায়ে মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশনকে অসাংবিধানিক বলে অভিহিত করে । শেষ পর্যন্ত এই  মামলা সুপ্রিম কোর্টে বেশ কয়েক বছর ধরে চলে ।

সেই মামলার রায় বের হয় গত ৬ জানুয়ারি । অরুন মিশ্রের নেতৃত্বাধীন ডিভিশন বেঞ্চ মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশনকে বৈধ বলে ঘোষণা করে । একইসঙ্গে আদালত জানিয়ে দেয় এটা সংখ্যালঘুদের সংবিধান ৩০/৩০এ ধারায় যে অধিকার দিয়েছে তাকে মান্যতা দিয়েই সার্ভিস কমিশন গঠিত হয়েছে। এই রায় মেনে নিতে পারেনি  কাঁথি রহমানিয়ার আইনজীবী আবু সোহেল । তিনি সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি এসএ বোবদে-এর কাছে রায় পুনর্বিবেচনার আবেদন করেন । সেই আবেদন প্রধান বিচারপতি মঞ্জুর করেন ।

তারই পরিপ্রেক্ষিতে আজ এই আবেদনের শুনানী হয় ওপেন কোর্টে । সেখানে বিচারপতিরা বলেন, গত ৬ জানুয়ারি সুপ্রিম কোর্টের দুই বিচারপতির বেঞ্চ মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশন ২০০৮ নিয়ে যে রায় দিয়েছেন তা সংবিধানের ৩০/৩০এ ধারার পরিপন্থী । এই মুহুর্তে বিচারপতিরা সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির সঙ্গে আলোচনা করে এই মামলার সাংবিধানিক দিক খতিয়ে দেখার জন্য নতুন করে শুনানী শুরু করবে কোর্ট । এছাড়া ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বর মাসে চন্দনা দাস মামলার রায়ে অনুরূপ এক রায়ের সঙ্গে মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশনের রায়ে মিল হচ্ছে না ।  চন্দনা দাস মামলার রায় দিয়েছিলেন তিন বিচারপতির বেঞ্চ ।

এরপরেই সন্ধ্যা বেলা সুপ্রিম কোর্টের পক্ষ থেকে যে বুলেটিন প্রকাশিত হয় তাতে দেখা যাচ্ছে আগামী ৬ মার্চ শুক্রবার মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশন মামলার রায়ের পুনর্বিবেচনার আর্জি নিয়ে শুনানী হবে । তাহলে মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশনের অস্তিত্ব এখন ঝুলেই রইল ?

এদিন সুপ্রিম কোর্টে আবেদনকারীদের আইনজীবী হিসাবে উপস্থিত ছিলেন আইনজীবী রাজীব ধাওয়ান  , আইনজীবী আতারূপ বন্দ্যোপাধ্যায় ও আইনজীবী আবু সোহেল ।


শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সম্পর্কিত নিবন্ধ

Leave a Comment