দেশ 

অসম বাদে দেশজুড়ে হতে চলেছে এনপিআর , ৮৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করল কেন্দ্র , বায়োমেট্রিক কোনো তথ্য দিতে হবে না জানালেন তথ্য সম্প্রচার মন্ত্রী

শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

বাংলার জনরব ডেস্ক : দেশজুড়ে জাতীয় নাগরিক পঞ্জী হবে কিনা তা নিয়ে সরকার কোনো সিদ্ধান্ত এখনও নেয়নি । তবে ন্যাশনাল পপুলেশন রেজিস্টার বা এনপিআর বা জনগণনা করার জন্য কেন্দ্র সরকার ৮৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করল ।অসম বাদে সব রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে ২০২০ সালের এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এনপিআর-এর কাজ চলবে বলে জানিয়েছে জাতীয় জনগণনা কমিশন। খরচ হবে ৮৫০০ কোটি টাকা।

বেশ কযেক মাস ধরে গুজব ছিল এনপিআর করার সময় বায়োমেট্রিক তথ্য নেওয়া হবে । কিন্ত আজ কেন্দ্রীয় তথ্য সম্প্রচার মন্ত্রী প্রকাশ জাভড়েকর জানিয়ে দিয়েছেন , এনপিআর-এ কোনো বায়োমেট্রিক তথ্য নেওয়া হবে না । জনগণনা করার আগের নিয়মের  মতোই বাড়ি বাড়ি গিয়ে তথ্য সংগ্রহ করবেন সংশ্লিষ্ট কর্মীরা। তার জন্য কোনও পরিচয়পত্র বা নথি দিতে হবে না।

পশ্চিমবঙ্গ এবং কেরল আগেই এনপিআর-এর কাজ স্থগিত রাখার ঘোষণা করেছে। নিজেদের রাজ্যে সিএএ কার্যকর করতে দেওয়া হবে না বলে ঘোষণা করেছে একাধিক রাজ্য। তার মধ্যেই এনপিআর-এর এই সিদ্ধান্তের জেরে কেন্দ্রের সঙ্গে রাজ্যগুলির সঙ্ঘাত আরও বাড়বে বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা।

১০ বছর অন্তর দেশে জনগণনা হয়। তার আগে সরকারের প্রতিনিধিরা বাড়ি বাড়ি ঘুরে নাগরিকদের পরিচয় সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করেন। তবে তার জন্য কোনও পরিচয়পত্র বা নথির প্রয়োজন হয় না, শুধুমাত্র মৌখিক তথ্যের উপর ভিত্তি করেই তৈরি হয় এনপিআর। ২০১১ সালে জনগণনার আগে ২০১০ সালে প্রথম এনপিআর-তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছিল। তার পর ২০১৫ সালে ফের বাড়ি বাড়ি ঘুরে তথ্য সংগ্রহ করে সেই তথ্য ডিজিটাইজেশনের কাজও সম্পূর্ণ হয়েছে বলে জানিয়েছে জনগণনা কমিশন। এ বার ২০২১ সালের জনগণনার আগে আগামী বছরের এনপিআর তথ্য আপডেট করার জন্য মঙ্গলবার অর্থবরাদ্দে অনুমোদন দিল কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা।

কিন্তু সিএএ-এনআরসি নিয়ে বর্তমানে যে মানুষের মনে সন্দেহ ও আশংকা জন্মেছে তাতে এনপিআর করতে গেলে সমস্যায় পড়তে হতে পারে । তাই রাজ্য সরকার ইতিমধ্যে এনপিআর-এর কাজ বন্ধ রেখেছে ।পরবর্তী নির্দেশ না পাওয়া পর্যন্ত সেই কাজ শুরু করা যাবে না বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছিল। কেরলের বাম সরকারও প্রায় একই রকম বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানিয়েছিল, সিএএ-এনআরসি নিয়ে উদ্ভুত পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে বন্ধ রাখা হচ্ছে এনপিআর-এর কাজ। আবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, পিনারাই বিজয়ন ছাড়াও সিএএ-এনআরসি রাজ্যে কার্যকর করতে দেওয়া হবে না বলে ঘোষণা করেছেন পঞ্জাব, বিহার, অন্ধ্রের মতো একাধিক রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীরা।


শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সম্পর্কিত নিবন্ধ

Leave a Comment