কলকাতা 

মুখ্যমন্ত্রীর উপর আস্থা , বিশ্বাস রেখেই ২৯ দিনেই অনশন প্রত্যাহার করলেন এসএসসির চাকরি প্রার্থীরা ; শেষ পর্যন্ত সংঘবদ্ধ আন্দোলনের জয় হল বাংলায়

শেয়ার করুন
  • 107
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

বাংলার জনরব ডেস্ক : মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হস্তক্ষেপেই ২৯ দিনে মাথায় উঠে গেল এসএসসি চাকরিপ্রার্থীদের অনশন। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় গতকালই অনশন মঞ্চে গিয়ে বলেছিলেন আমার উপর ভরসা রাখুন , আস্থা রাখুন, বিশ্বাস রাখুন , আপনারা যাদেরই সমর্থক হন কেন আপনাদের সমস্যাকে সহানুভূতির সঙ্গে বিবেচনা করা হবে । প্রয়োজন হলে আইন সংশোধন করা হবে ।

তাই ‘আপাতত’ অনশন প্রত্যাহার করে নিলেন তাঁরা। তবে মুখ্যমন্ত্রীর দেওয়া জুন মাসের প্রথম সপ্তাহের সময়সীমা পর্যন্ত চাকরিপ্রার্থীরা দেখবেন, তাতে সমাধান না হলে আবার পরবর্তী পদক্ষেপ ঠিক করা হবে।

উল্লেখ্য, বুধবার স্বয়ং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অনশনস্থলে যাওয়ার পর থেকেই এসএসসি-র চাকরিপ্রার্থীদের অনশন উঠে যাবে, এমন আশাতেই বুক বেঁধেছিলেন অনেকে। বৃহস্পতিবার বিকাশ ভবনে স্কুল শিক্ষা দফতরের অফিসারদের সঙ্গে বৈঠক করতে বিকাশ ভবনে গিয়েছিল অনশনকারীদের একটি প্রতিনিধি দল। সেখানে স্কুল শিক্ষা দফতরের সচিবের সঙ্গে তাঁরা বৈঠক করেন। তারপরই মেয়ো রোডে অনশনস্থলে ফিরে এসে অনশন প্রত্যাহারের কথা জানান তাঁরা।

গতকালই মুখ্যমন্ত্রী অনশনকারীদের জানিয়েছিলেন, আদর্শ আচরনবিধি চালু হয়ে যাওয়ায় এখন কোনও প্রতিশ্রুতি তিনি দিতে পারবেন না। তবে জুনের প্রথম সপ্তাহের মধ্যেই একটা ইতিবাচক সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তিনি যে অনশনকারীদের বিষয়টি অত্যন্ত মানবিকতার সঙ্গেই দেখছেন, তাও জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।

আজ অনশন তোলার ঘোষণার সময় চাকরিপ্রার্থীরা বলেন, ‘মুখ্যমন্ত্রীর ওপর আমাদের আস্থা আছে। তিনি যা করবেন সেটা ভেবেচিন্তেই করবেন।’ সেইসঙ্গে যাঁরা এতদিন অনশনকারীদের পাশে ছিলেন, তাঁদের সকলকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন চাকরিপ্রার্থীরা।

মুখ্যমন্ত্রীর এই অবস্থানকে সকলেই স্বাগত জানিয়েছেন । যদিও আন্দোলনকারীদের একাংশ চাইছিলেন সমস্যার সমাধান না হওয়া পর্যন্ত অনশন চালিয়ে যেতে । কিন্ত মুখ্যমন্ত্রী আশ্বাস এবং তাঁর উপর ভরসা রাখার পক্ষেই বেশিরভাগ আন্দোলনকারী মত প্রকাশ করেন । ফলে আজ বিকাশ ভবনে গিয়ে শিক্ষা দফতরের আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলার পরেই অনশন প্রত্যাহার করে নেয় ।

 


শেয়ার করুন
  • 107
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সম্পর্কিত নিবন্ধ

Leave a Comment