দেশ 

একটা পরিবার, একটা দল দেশের সুরক্ষাকে কোনও গুরুত্বই দেয়নি। শুধু রাজনীতি করে গেছে ; শহীদ স্মারক উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে নাম না করে রাহুল ও কংগ্রেসকে কটাক্ষ মোদীর

শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

বাংলার জনরব ডেস্ক : তার সরকার সেনাদের প্রকৃত সম্মান মর্যাদা দিয়েছে তাদেরকে সম্মানজনক বেতন দেওয়ার ব্যবস্থা করেছে আসলে নির্দিষ্ট লক্ষ্য নিয়ে আমরা কাজ করেছি তাই সফল হতে পেরেছি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে  চেষ্টা করেছি দেশের সেনাকে স্বনির্ভরশীল করে তুলতে। সোমবার নয়াদিল্লিতে শহিদ স্মারক উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী মোদী নাম না করে কংগ্রেসকে একহাত নিয়ে বলেন, এককালে স্বপ্নের অতীত ছিল যে সব, তা পূর্ণ হয়েছে তাঁর আমলে। উল্লেখ্য এই শহীদ স্মারকে স্বাধীনতার পর থেকে দেশের যেসব জওয়ান দেশের নিরাপত্তার জন্য শহীদ হয়েছেন তাদের নামের তালিকা থাকবে

এদিন প্রধানমন্ত্রী বলেন, মোদী গুরুত্বপূর্ণ নয়, ইতিহাস, সংস্কৃতি, ঐতিহ্য সবার আগে। দেশকে সেই পথে পরিচালিত করতে হবে। দেশের সুরক্ষা সবার আগে। তাঁর সরকার সেই সুরক্ষার জন্যই লড়াই চালাচ্ছে। কিন্তু একটা পরিবার, একটা দল দেশের সুরক্ষাকে কোনও গুরুত্বই দেয়নি। শুধু রাজনীতি করে গেছে।

মোদী কথায়, আজ ভারতের সঙ্গে সুসম্পর্ক রাখতে আগ্রহী বহু শক্তিশালী দেশ। এসব অর্জন করতে হয়েছে। সেনাবাহিনীতে ২০ শতাংশ মহিলা নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এক পদ এক পেনশন ব্যবস্থা চালু হয়েছে। সেনার বেতন ৫৫ শতাংশ বেড়েছে। নিয়ন্ত্রণ রেখায় আহত হলেও পেনশন চালু হয়েছে। সেনাদের জন্য তিনটি সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল করা হচ্ছে এখন বুলেট প্রূফ জ্যাকেটের দাবি উঠেছে, তাও সরকার পরিকল্পনা করছে। ২০০৯ সাল থেকে এই দাবি উঠেছিল, কিন্তু তৎকালীন সরকার কোনও উদ্যোগ নেয়নি। আমরা বুলেট প্রূফ জ্যাকেট, সেনাদের জন্য বিশেষ প্রযুক্তির জুতো দেওয়ার পরিকল্পনা করছি।

আমাদের সরকার সবার আগে দেশের স্বার্থ দেখে, দেশের সুরক্ষার স্বার্থ দেখে। এদিন গান্ধী পরিবারকে একহাত নিয়ে মোদী প্রশ্ন তোলেন দেশ আগে, নাকি পরিবার? এই প্রশ্ন উঠছে এখন। বোফর্স থেকে কপ্টারসব অভিযোগ এক পরিবারের দিকে। গান্ধী পরিবারের তোপ দেগে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেন, এখন আবার এই পরিবার রাফালে বিমান আটকাতে চাইছে। কিন্তু আজ একথা স্পষ্ট করে দিতে চাই যে, রাফালে উড়তে আর বেশি দেরি নেই।

 

 

 

 


শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সম্পর্কিত নিবন্ধ

Leave a Comment