দেশ 

৮ বছর আগের এক পুরানো মামলায় জনপ্রিয় ইউটিউবার ধ্রুব রাঠীর বিরুদ্ধে পরোয়ানা জারি করল দিল্লির সাকেত আদালত, ২৩ শে নভেম্বর হাজিরার নির্দেশ!

শেয়ার করুন

বাংলার জনরব ডেস্ক : জনপ্রিয় ইউটিউবার ধ্রুব রাঠির বিরুদ্ধে ২০১৮ সালের একটি ফৌজদারী মামলায় জামিনযোগ্য পরোয়ানা জারি করল দিল্লির সাকেত আদালত। জানা গেছে প্রশাসনিক ফুল সিদ্ধান্তের ফলে এই পরোয়ানাটি প্রথমে অস্ট্রিয়ার ঠিকানায় চলে যায় পরবর্তীকালে সেই ঠিকানা পরিবর্তন করে হরিয়ানার গুরুগ্রামের ঠিকানায় পাঠানো হয়েছে। যদিও আদালতের বিস্তারিত নির্দেশনামা এখনও প্রকাশ্যে আসেনি। আগামী ২৩ নভেম্বর এই মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছে।

২০১৮ সালের মে মাসে ‘আই সাপোর্ট নরেন্দ্র মোদী’ নামে এক সোশ্যাল মিডিয়া পেজের প্রতিষ্ঠাতা তথা রাজনৈতিক স্বেচ্ছাসেবক বিকাশ সংকৃত্যায়ন ওরফে বিকাশ পাণ্ডে ধ্রুব রাঠীর বিরুদ্ধে মানহানির মামলা দায়ের করেছিলেন। ধ্রুবের ইউটিউব চ্যানেলে আপলোড হওয়া ‘বিজেপি আইটি সেল পার্ট ২’ শীর্ষক একটি ভিডিয়ো ঘিরেই এই বিতর্কের সূত্রপাত। অভিযোগ, ওই ভিডিয়োয় ধ্রুব দাবি করেছিলেন যে, বিকাশ বিজেপির আইটি সেলের দ্বিতীয় শীর্ষ ব্যক্তি এবং ভুয়ো খবর ছড়ানোর অভিযোগ প্রত্যাহার করে নেওয়ার জন্য তিনি মহাবীর প্রসাদ নামে এক ব্যক্তিকে ৫০ লক্ষ টাকা ঘুষ দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছিলেন। বিকাশের দাবি, এই অভিযোগগুলি সম্পূর্ণ মিথ্যা এবং এর ফলে তাঁর সম্মানহানি হয়েছে।

এই মামলায় ২০১৯ সালের জুলাই মাসে ধ্রুবকে প্রথম বার সমন পাঠিয়েছিল আদালত। কিন্তু তিনি অস্ট্রিয়ায় বসবাস করায় দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে আইনি প্রক্রিয়ায় বিলম্ব ঘটে।

চলতি মাসের শুরুতে অভিযোগকারীর আইনজীবী সমক্ষ শর্মা আদালতে একটি জরুরি আবেদন দাখিল করে জানান যে, ধ্রুব সম্প্রতি ভারতে এসেছেন। এর পরেই মামলাটি নতুন করে গতি পায়। গত ১২ অক্টোবর আদালত বিশেষ ‘দস্তি’ সমনের অনুমতি দেয়। এর মাধ্যমে আদালতের নথি বহনকারী (প্রসেস সার্ভার) সশরীরে হরিয়ানার গুরুগ্রামের সেক্টর ৫৬-র নির্দিষ্ট ঠিকানায় গিয়ে নতুন সমন পৌঁছে দিতে পারেন। কিন্তু গত ১৭ অক্টোবর তিনি আদালতে রিপোর্ট দেন যে, গুরুগ্রামের ওই বাড়িটি তালাবন্ধ ছিল। এর পরেই ম্যাজিস্ট্রেট রাহুল জৈন প্রথম দফায় জামিনযোগ্য পরোয়ানা জারি করেছিলেন। সেই পরোয়ানাটি ভুলবশত বিদেশের ঠিকানায় চলে যাওয়ায়, শনিবার সরাসরি গুরুগ্রামের ঠিকানায় নতুন করে জামিনযোগ্য পরোয়ানা জারি করল আদালত। আগামী ২৩ নভেম্বর পরোয়ানা কার্যকরের রিপোর্ট খতিয়ে দেখবে সাকেত আদালত।

 


শেয়ার করুন

সম্পর্কিত নিবন্ধ