জেলা 

রায়দিঘীতে SIR বাতিলের দাবিতে এসডিপিআই-এর বিক্ষোভে পুলিশ ও CRPF-এর লাঠিচার্জের ঘটনা প্রমাণ করছে, রাজ্যে গনতন্ত্র শেষ হয়ে গেছে: হাকিকুল ইসলাম

শেয়ার করুন

বিশেস প্রতিনিধি : SIR বাতিল এবং মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে বিচারের আওতায় আনার দাবিতে আজ দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার রায়দিঘী বিধানসভা এলাকায় বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা করে সোস্যাল ডেমোক্র্যাটিক পার্টি অফ ইন্ডিয়া। দলীয় অভিযোগ, শান্তিপূর্ণভাবে বিক্ষোভ চলাকালীন রায়দিঘী থানার পুলিশ ও CRPF বাহিনী SDPI-এর নেতা-কর্মীদের উপর অমানবিকভাবে লাঠিচার্জ করে এবং তাঁদের বেধড়ক মারধর করে গ্রেফতার করে নিয়ে যায়।

এই ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি এসডিপিআই। যেখানে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের বিরুদ্ধে বাকি দুই নির্বাচন কমিশনারের অভিযোগ রয়েছে, সেখানে নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা ও জবাবদিহি নিয়ে প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক। গণতান্ত্রিক দেশে সরকার পুলিশ-প্রশাসনকে নিজেদের পৈতৃক সম্পত্তির মতো ব্যবহার করে মানুষের প্রতিবাদ ও আন্দোলনকে দমন করতে পারে না। বিজেপি গণতন্ত্রের নামে স্বৈরাচারী শাসন চালাচ্ছে। বিরোধী কণ্ঠস্বরকে স্তব্ধ করা এবং গণতান্ত্রিক আন্দোলনের উপর পুলিশি দমন-পীড়ন চালানো কোনওভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।

মানুষের ভোটাধিকার রক্ষা, নির্বাচন কমিশনের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা এবং SIR-এর নামে সাধারণ মানুষের অধিকার খর্ব করার বিরুদ্ধে SDPI-এর আন্দোলন ছিল, আছে এবং অব্যাহত থাকবে। পুলিশি লাঠিচার্জ ও দমন-পীড়ন চালিয়ে জনগণের ন্যায্য দাবিকে স্তব্ধ করা যাবে না। জনগণ সবকিছু দেখছে। স্বৈরাচারী শাসনের বিরুদ্ধে মানুষের ক্ষোভ ক্রমশ বাড়ছে। এই দমনমূলক শাসনের পতন আসন্ন।

উল্লেখ্য, আজ ১৫ অক্টোবর ২০২৬, বিকেল ৪টায় SDPI-এর রায়দিঘী বিধানসভা কমিটির উদ্যোগে মাদারপাড়া পোল থেকে ঢোলা তিন রাস্তা পর্যন্ত বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। দলীয় সূত্রে জানানো হয়েছে, কর্মসূচি সম্পর্কে আগেই পুলিশকে অবহিত করা হয়েছিল। তা সত্ত্বেও বিক্ষোভ চলাকালীন পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে নেতা-কর্মীদের উপর লাঠিচার্জ ও মারধর করে।

এসডিপিআই এই ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত, দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং গণতান্ত্রিক আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানাচ্ছে।

 

 


শেয়ার করুন

সম্পর্কিত নিবন্ধ