নন্দীগ্রামের পর এবার রেজিনগরে প্রার্থী গ্রেফতার
ভোটের দিন যত এগিয়ে আসছে, তত গ্রেফতার হয়ে যাচ্ছেন প্রার্থীরা। গতকাল অর্থাৎ শুক্রবার নন্দীগ্রামে গ্রেফতার হয়েছেন কংগ্রেস প্রার্থী। প্রথমে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দেওয়া প্রার্থী মনোনয়ন প্রত্যাহার করেন। তারপর মমতা জানান তিনি কংগ্রেসকে সমর্থন করবেন। ঠিক তার পরপরই গ্রেফতার হন নন্দীগ্রামের কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধান। আর এবার গ্রেফতার হলেন রেজিনগরের নির্দল প্রার্থী সইফুল ইসলাম। বহরমপুর থানার পুলিশ গ্রেফতার করেছে। জানা যাচ্ছে, পুরনো একটি মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছে তাঁকে।
পুলিশ সূত্রে খবর, গত বিধানসভা নির্বাচনের সময় একটি অশান্তির ঘটনার ঘটেছিল। দুই গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। অভিযোগ, সেই ঘটনায় হুমায়ুন কবীর নিজে ছিলেন। তৎকালীন ব্লক সভাপতি ছিলেন এই সইফুল ইসলাম। সেই মামলাতেই ভোটের আগে গ্রেফতার তিনি। এর পাশাপাশি পুরনো আরও একটি মামলায় গ্রেফতার হয়েছেন বলে পুলিশ জানিয়েছে। বস্তুত, এই সইফুল আবার হুমায়ুনের ব্লক সভাপতি। ফলত, তাঁর গ্রেফতারির পর সরব হয়েছেন তিনি।
বিজেপির মুখপাত্র দেবজিৎ সরকার বলেন, “পুরনো যদি মামলা থাকে আর জামিন না নেওয়া থাকে তাহলে তো গ্রেফতার হতেই হবে। কেউ কিছু করতে পারবে না।” বেলেঘাটার তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষ বলেন, “এটা ফ্যাসিবাদী স্বৈরতান্ত্রিক রাজনীতির সব সীমা অতিক্রমণ করে গিয়েছে। একই জিনিস নন্দীগ্রামে করেছে, রেজিনগরেও করছিল। তবে, রেজিনগরে আমাদের প্রার্থী লড়ছেন। তাঁকে হাজার চাপ দিয়েও মনোনয়ন প্রত্যাহার করতে পারেনি।”
এখানে উল্লেখ্য, গতকাল কংগ্রেস প্রার্থীকে ২০০৭ সালে নন্দীগ্রামে জমি অধিগ্রহণ বিরোধী আন্দোলনের সময় একটি খুনের মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই মামলায় অভিযুক্ত মিলন প্রধান। ওয়ারেন্টও বেরিয়েছিল তাঁর নামে। আজ ধৃতকে তোলা হয়েছিল হলদিয়া মহকুমা আদালতে। তাঁর জামিনের আবেদন খারিজ করে দেয় হলদিয়া মহকুমা কোর্ট।

