দেশ 

বিহারে ফের খুন বিজেপি নেতা, জঙ্গল রাজের পর সন্ত্রাসী রাজ?

শেয়ার করুন

বাংলার জনরব ডেস্ক : শান্তির রাজ বিহার জঙ্গল রাজ ছিল লালুপ্রসাদ এর আমলে। এখন নাকি নীতিশ কুমার এবং বিজেপি জোট সরকার বিহারে শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হয়েছে। লালু ছিলেন জঙ্গল রাজের প্রতিষ্ঠা আর নীতিশ ও বিজেপি শান্তি রাজ্যের প্রতিষ্ঠা। বিহারে নাকি সর্বোত্তই শান্তি বিরাজ করছে তবে কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই শাসকদলের দু দুজন প্রকাশ্যে খুন হয়ে যাওয়ার পর। এখন বিহারের নাম হয়েছে সন্ত্রাসের রাজ্য সন্ত্রাসের আরেক নাম বিহার বললে মিথ্যা বলা হবে না।

কয়েকদিন আগে বিহারের বিজেপি নেতা ও ব্যবসায়ী গোপাল খেমকাকে গুলি করে হত্যা করেছিল এলাকার দুষ্কৃতীরা সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতে আজ রবিবার সকালে বিহারে গুলি করে খুন করা হলো এক বিজেপি নেতাকে।। তিনি রবিবার সকালে মাঠে কাজ করছিলেন সেই সময় দুইজন ব্যক্তি এসে তাকে গুলি করে হত্যা করে।

নিহত ওই বিজেপি নেতার নাম সুরেন্দ্র কেওয়াত। চলতি বছরেই বিহারের বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে পর পর খুনের ঘটনা রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা নিয়ে প্রশ্ন তুলে দিয়েছে।

পুলিশ সূত্রে খবর, সুরেন্দ্রকে লক্ষ্য করে চারটি গুলি করা হয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, বাইকে চেপে এসেছিল দুই আততায়ী। মুখ গামছা দিয়ে ঢাকা। পুলিশ আধিকারিক কানহাইয়া সিংহ জানিয়েছেন, সুরেন্দ্র মাঠে কাজ করছিলেন। সেই সময় তাঁর উপর হামলা চালানো হয়। আহত অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে পটনা এমসে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা মৃত ঘোষণা করেন। অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু হয়েছে।

বিজেপির কিষাণ মোর্চার নেতা সুরেন্দ্রের মৃত্যুতে আতঙ্ক ছড়িয়েছে এলাকায়। ঘটনার খবর প্রকাশ্যে আসার পর রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা নিয়ে প্রশ্ন তুলছে বিরোধীরা। বিহার বিধানসভার বিরোধী দলনেতা তথা আরজেডি নেতা তেজস্বী যাদব খেমকার খুনের প্রসঙ্গ টেনে এনডিএ জোট সরকারকে নিশানা করেন। এক্স পোস্টে তিনি লেখেন, ‘‘বিজেপি নেতা খুন নিয়ে কী বলব? আর কাকেই বা বলব? এনডিএ সরকারের কেউ কি সত্য শুনতে বা ভুল স্বীকার করতে চান?’’

গত ৪ জুলাই পটনায় নিজের বাড়ির সামনে খুন হন খেমকা। ব্যবসায়ীকে খুনের ঘটনায় জড়িত সন্দেহে ইতিমধ্যেই বেশ কয়েক জনকে আটক এবং গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গত সোমবার গ্রেফতার হয়েছেন মূল অভিযুক্ত উমেশ রাইও।


শেয়ার করুন

সম্পর্কিত নিবন্ধ