সংকল্প নিলে তবেই পৌঁছানো যায় কাঙ্খিত গন্তব্যে : পাঠভবন এর পড়ুয়াদের মুখোমুখি কৃষি বিজ্ঞানী মতিয়ার রহমান খান
গৈরিক সাহা : নতুন বছরের শুরুতেই আট থেকে আশি প্রতিটি মানুষই কোনো না কোনো রেজোলিউশন বা সংকল্প নিয়ে থাকে। সেই সংকল্পকে বাস্তবায়িত করতে লাগে আত্মবিশ্বাস, একাগ্রতা এবং নিয়মানুবর্তিতা। দৃঢ়তার সঙ্গে সংকল্প গ্রহণ করলে তবেই পৌঁছানো যায় কাঙ্খিত গন্তব্যে। ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পাঠভবন ডানকুনিতে গিয়ে ছাত্র-ছাত্রীদের উদ্দেশে শুক্রবার এমন করেই মনের কথা ভাগ করে নিলেন বিশিষ্ট কৃষিবিজ্ঞানী অধ্যাপক ড: মতিউর রহমান।
বছরের শুরুতেই বিদ্যালয়ে চলছে আসন্ন ‘সুকুমার মেলা’ -এর জোরকদমে প্রস্তুতি। কুছ পরোয়া নেহি। তারই মাঝে পাঠভবনে আয়োজিত হল এক আলোচনাসভা। সভার মুখ্য আলোচক ছিলেন কৃষিবিজ্ঞানী ড:মতিউর রহমান। এদিনের আলোচনায় আরও উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয়ের প্রধানশিক্ষক ড: দেবব্রত মুখোপাধ্যায় ও পাঠভবন সোসাইটির সেক্রেটারি বিশ্বনাথ দাসগুপ্ত। আলোচনার শুরুতেই তাঁকে উত্তরীয় বরণ করে নেন বিদ্যালয়ের প্রধানশিক্ষক। পাশাপাশি তাঁকে দেওয়া হয়, সম্রাট অশোক-কন্যা সংঘমিত্রা রোপিত বৃক্ষের একটি পত্র।


তাঁর বক্তব্যের প্রথমেই ছাত্র-ছাত্রীদের তিনি বিজ্ঞানী নিকোলা টেসলার ‘তিন-ছয়-নয়’ এই ৩টি সংখ্যায় আধারিত তত্ত্বের গুরুত্ব বুঝিয়ে দেন। বুঝিয়ে দেন এই সংখ্যাগুলি জীবনের সাথে কতখানি ওতোপ্রোতভাবে জড়িত। এছাড়া ৬০ সংখ্যাটির গুরুত্ব, ট্যালিমার্ক এর সাথে হাতের পাঁচটি আঙুলের কী সম্পর্ক, সবটাই তুলে ধরেন পড়ুয়াদের কাছে। ছাত্র-ছাত্রীরাও খুবই অনুপ্রাণিত হয়৷
আলোচনার শেষে তিনি ছাত্র জীবনে সোশ্যাল সার্ভিসের গুরুত্ব কতখানি তা বুঝিয়ে বলেন। ভাগ করে নেন তাঁর ব্যক্তিগত কিছু অভিজ্ঞতাও। সর্বোপরী এদিনের আলোচনায় পড়ুয়াদের পাশাপাশি স্কুলের সাথে জড়িত প্রত্যেকে বিশেষ ভাবে অনুপ্রানিত হন।

