জেলা 

দেগঙ্গায় কৃষকদের জন্য একগুচ্ছ উপহার জেলা প্রশাসনের

শেয়ার করুন

বিশেষ প্রতিবেদন,দেগঙ্গা : দেশের অর্থনীতিকে সচল রাখতে শিল্পের পাশাপাশি কৃষিক্ষেত্রের ভুমিকা অনস্বীকার্য।সেই লক্ষ্যে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের মুখ্যমন্ত্রী শ্রীমতি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রচেষ্টায় কৃষকদের সুবিধার্থে একের পর এক জনকল্যাণমুখী কর্মসূচি বিভিন্ন রকম ভাবে সহযোগিতা করছে বাংলার কৃষকদের। কিষান মান্ডি থেকে শুরু করে কোল্ড স্টোরেজ এবং নানা রকমের কৃষক বিমার ফলেই সাধারণ চাষীরা অনেকাংশে সুবিধা পাচ্ছে। বলাবাহুল্য বৃহস্পতিবার, উঃ চব্বিশ পরগনা জেলার দেগঙ্গা বিধানসভা এলাকার চাষীদের সুবিধার্থে একগুচ্ছ উপহার ঘোষিত হলো জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায়।

দেগঙ্গার নিয়াজিষপুর দেগঙ্গা ফার্মার প্রোডিউসার কোম্পানি লিমিটেডের উদ্যোগে বিশেষ প্রশিক্ষণ শিবিরের আয়োজন করা হয় দেগঙ্গার সোহাই শ্বেতপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের দৈবজ্ঞপোল গ্রামে । চাষীরা ফসলের সঠিক দাম ও চাষীরা একক ভাবে ফসল বিক্রি না করে একটা সংগঠনের আওতায় এনে কিভাবে আন্তর্জাতিক বাজারে রপ্তানি করতে পারে এবং শাক-সবজি, কোল্ড স্টোরেজে রাখার উন্নত প্রযুক্তি সম্পর্কে অবগত করার জন্য এলাকার চাষীদের নিয়ে কর্মশালা অনুষ্ঠিত শিবির ।

উক্ত প্রশিক্ষণ শিবিরে উপস্থিত ছিলেন জেলাশাসক শরদ কুমার দ্বিবেদী, উঃ চব্বিশ পরগনা জেলা পরিষদের বন ও ভূমি স্থায়ী সমিতির কর্মাধ্যক্ষ একেএম ফারহাদ,অতিরিক্ত জেলাশাসক (ট্রেজারি) তাহিরুজ্জামান, এগ্রিকালচার ডেপুটি ডিরেক্টর নারায়ন সিকদার , এ ডি এ সুপ্রতিক ঘোষ , বিধায়ক রহিমা মন্ডল, বিডিও সুব্রত মল্লিক , বিধায়ক রহিমা মন্ডল, দেগঙ্গা পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি মফিদুল হক সাহাজী, কর্মাধ্যক্ষ লিয়াকত আলী,স্থানীয় প্রধান জলধর মন্ডল , উপপ্রধান রিঙ্কু সাহাজী সহ অন্যান্যরা। উক্ত কর্মসূচি উপলক্ষে জেলাশাসক শরৎ কুমার দ্বিবেদী বলেন সাধারণ চাষীদের কথা মাথায় রেখে রাজ্য সরকারের উদ্যোগে এবং জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় বিভিন্ন রকমের উন্নত কর্মসূচি গ্রহণ করা হচ্ছে স্থানীয় কৃষকদের জন্য।

 

তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন আগামী দিনে এই অঞ্চল থেকে কৃষি ক্ষেত্রে বিপুল অর্থনৈতিক উন্নতি সম্ভাবনা আছে। স্থানীয় জেলা পরিষদ সদস্য একেএম ফারহাদ বলেন রাজ্যের মানবিক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সাধারণ মেহনতি মানুষদের জন্য যুগান্তকারী পরিবর্তনের ফলেই রাজ্যের আর্থসামাজিক উন্নতি ব্যাপক হারে বৃদ্ধি ঘটেছে।

সেই লক্ষ্যেই আগামী দিনে এই অঞ্চলের চাষীরা তাদের তৈরি করা ফসল সুরক্ষিত ও সঠিক দাম যাতে পায় তার ব্যবস্থা জেলা প্রশাসন যেভাবে করছে তা অত্যন্ত প্রশংসনীয়। স্থানীয় কৃষক হারাধন মন্ডল বলেন চাষীদের কথা মাথায় রেখে যেভাবে এই প্রযুক্তি আমাদেরকে উপহার দিল তার জন্য ধন্যবাদ জানাই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও জেলা প্রশাসনকে।


শেয়ার করুন

সম্পর্কিত নিবন্ধ