কলকাতা 

তৃণমূল কংগ্রেসের জাতীয় মুখপাত্রের গ্রেফতারি নিয়ে নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুললেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়

শেয়ার করুন

বাংলার জনরব ডেস্ক: গুজরাট পুলিশের হাতে দ্বিতীয়বার গ্রেফতার হয়েছেন তৃণমূলের জাতীয় মুখপাত্র। প্রশ্ন উঠেছে সমগ্র গুজরাট জুড়ে নির্বাচন বিধি দাঁড়ি থাকা সত্ত্বেও কিভাবে পুলিশ তৃণমূলের জাতীয় মুখপাত্র কে গ্রেপ্তার করলেন তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে দিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি আজ টুইট করে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে দিলেন।তাঁর অভিযোগ, নির্বাচন কমিশন বিজেপির কাছে বিকিয়ে গিয়েছে।

জামিন পাওয়ার পরও তৃণমূলের জাতীয় মুখপাত্র সাকেত গোখলেকে বৃহস্পতিবার রাতে ফের গ্রেফতার করেছে আহমেদাবাদ পুলিশ (Ahamedabad Police)।কোনও নোটিশ বা ওয়ারেন্ট ছাড়াই তাঁকে মোরবি সেতু ভঙ্গ নিয়ে টুইট করার দায়ে দ্বিতীয়বার গ্রেপ্তার করে গুজরাট পুলিশ।

প্রথম দফায় সোমবার মধ্যরাতে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল তৃণমূলের জাতীয় স্তরের মুখপাত্রকে। সেই মামলায় বৃহস্পতিবার দুপুরেই কোর্টে জামিন পান তিনি। রাতে মুক্তি পাওয়ার পর তিনি যখন আহমেদাবাদ সাইবার ক্রাইম থানা থেকে বেরোন, তখন ফের তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয় অন্য একটি মামলা দেখিয়ে। তাতেই ক্ষুব্ধ তৃণমূল।

খোদ দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee) টুইট করে বলে দেন,”গুজরাট পুলিশ তিনদিনের ব্যবধানে দু’বার সাকেত গোখলেকে গ্রেপ্তার করল। তাও আবার সেসময় যখন আদর্শ নির্বাচন বিধি চলছে। নির্বাচন কমিশন পুরোপুরি আত্মসমর্পণ করে ফেলেছে। ধারাবাহিকভাবে বিজেপির অধীনে কাজ করছে। দেশের গণতন্ত্র ঘোর বিপদে।”

অভিষেকের আগেই নির্বাচন কমিশনকে কাঠগড়ায় তুলে আক্রমণের সুর বেঁধে দিয়েছিলেন ডেরেক ও’ব্রায়েন। তিনি বলেন, “বিজেপির এক মুখ্যমন্ত্রী, একজন অভিনেতা কাম নেতা ধারাবাহিকভাবে ধর্মীয় বিদ্বেষ ছড়িয়ে যাচ্ছেন, কমিশন মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে। অথচ তৃণমূলের মুখপাত্র যখন একটি মামলায় জামিন পেয়ে বিমানবন্দরে যাচ্ছিলেন, তখনই তাঁকে কমিশন গ্রেপ্তার করাচ্ছে। এই জন্যই কমিশনকে দালাল ভাবে সুপ্রিম কোর্ট।”

সাকেতের গ্রেফতারি যে সহজে মেনে নেওয়া হবে না, সেটা আগেই স্পষ্ট করে দিয়েছে ঘাসফুল শিবির। শুক্রবার সকালেই মোরবি পৌঁছে গিয়েছে তৃণমূল সাংসদদের একটি প্রতিনিধি দল। সাংসদদের প্রতিনিধি দলে রয়েছেন রাজ্যসভার সাংসদ দোলা সেন এবং ডাঃ শান্তনু সেন। লোকসভার তিন সাংসদকেও পাঠানো হয়েছে গুজরাটে। তাঁরা হলেন খলিলুর রহমান, অসিত কুমার মাল এবং সুনীল মণ্ডল। এরপর নির্বাচন কমিশনেও দলের সাংসদদের একটি প্রতিনিধিদল যাবে বলে দলীয় সূত্রের খবর।


শেয়ার করুন

সম্পর্কিত নিবন্ধ