দেশ 

দিল্লিতে বিক্ষোভ কর্মসূচি কভার করতে গিয়ে পুলিশের হাতে যৌন হেনস্থার শিকার তিন মহিলা সাংবাদিক, রাহুল গান্ধীর বিস্ফোরক দাবির পরেই পদক্ষেপ করার আশ্বাস দিল্লী পুলিশের

শেয়ার করুন

গত শুক্রবার দিল্লিতে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগের দাবিতে যে বিক্ষোভ কর্মসূচি হয় সেখানে যৌন হেনস্তার শিকার হয়েছেন ৩ জন মহিলা সাংবাদিক। এমনই বিস্ফোরক দাবি করেছেন কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধী। অভিযোগের তির দিল্লি পুলিশের এক কর্মীর বিরুদ্ধে। গোটা ঘটনায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের জবাবদিহি চেয়েছেন রাহুল।

শনিবার কংগ্রেস সাংসদ তাঁর এক্স হ্যান্ডেলে লেখেন, ‘এক মহিলা সাংবাদিক যন্তর মন্তরে এক পুলিশ কর্তার বিরুদ্ধে অসদাচরণের অভিযোগ তুলেছেন। শত শত সাংবাদিক এফআইআরে দাবি করেছেন। এটি কি পুলিশের মৌলিক দায়িত্ব নয়? অথচ তারা সেই কাজটুকুও করেনি।’ তিনি বলেন, “মহিলা বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে দুর্ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। ক্যামেরা কেড়ে নেওয়া হয়েছে। সাংবাদিকদের টেনেহিঁচড়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এই ঘটনা প্রথম নয়। এর আগেও আমরা পুলিশ কর্মীদের হতে মহিলাদের হেনস্তা হতে দেখেছি।”

রাহুলের এই অভিযোগ সামনে আসার পরেই মুখ খুলেছে দিল্লি পুলিশ। এক্স হ্যান্ডলে একটি বিবৃতিতে তারা লিখেছে, ‘গত ২ অক্টোবর নয়াদিল্লিতে বিক্ষোভ চলাকালীন তিন মহিলা সাংবাদিক পুলিশ কর্মীদের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ তোলেন। তাঁদের অভিযোগ গ্রহণ করা হয়েছে। সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের জন্য তা ক্রাইম ব্রাঞ্চে হস্তান্তর করা হয়েছে।’

এদিকে জ্ঞানেশের পদত্যাগের দাবিতে আগামী ১০ অক্টোবর যন্তর মন্তরে ফের বিক্ষোভের ডাক দিয়েছে ‘আরশোলা’রা। সমাজমাধ্যমে দীপকের বার্তা, “জ্ঞানেশ কুমার ইস্তফা না দিলে গোটা দেশের আরশোলা বাহিনী মিছিল করে দিল্লি যাবে। ১০ অক্টোবর যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ দেখাবে তারা। দিল্লি পুলিশ যদি আমাদের আটকানোর চেষ্টা করে, যেখানে আটকাবে, সেটাই হয়ে উঠবে আমাদের যন্তর মন্তর। আমাদের আন্দোলন হবে শান্তিপূর্ণ। আমরা মহাত্মা গান্ধীর দেখানো পথেই চলব। আমাদের গণতন্ত্র রক্ষার লড়াই। অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন যাঁরা চান, এমন প্রতিটি নাগরিকেরই এতে শামিল হওয়া উচিত।”


শেয়ার করুন

সম্পর্কিত নিবন্ধ