কলকাতা 

গরুকে জাতীয় পশু ঘোষণা করার দাবি মুসলিম সমাজের

শেয়ার করুন

বিশেষ প্রতিনিধি : গরুকে জাতীয় পশু হিসাবে ঘোষণা করার দাবি জানালো মুসলমানরা। আজ শুক্রবার বাইশে মে কলকাতার বিভিন্ন মসজিদের জুম্মার নামাজের খুতবায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে ইমাম সাহেবরা বলেছেন গরু যেহেতু একটি বিশেষ সম্প্রদায়ের আরধ্যা সুতরাং তার প্রতি বিশেষ মর্যাদা আমাদেরকে প্রদান করতে হবে।

সেজন্য তিনি বলেন গরুকে শুধু পশু হিসাবে দেখলে হবেনা তাকে জাতীয় পশুর মর্যাদা দিয়ে তার সংরক্ষণের ব্যবস্থা করতে হবে। কোনভাবেই যেন গো হত্যা না হয় তার ব্যবস্থা করতে হবে। গরুদের জন্য বিশেষ জায়গা সরকারকে করতে হবে এবং সেখানে এই গরুগুলোকে সংরক্ষিত রাখতে হবে কোনভাবেই কোন গরুকে অযথা জবাই বা বলি দেওয়া যাবে না। সে মুসলিমদের উৎসব হতে পারে বা মুসলিমদের কুরবানী উৎসব হতে পারে কিংবা অন্যান্য সম্প্রদায়ের বলি প্রথা হতে পারে সব ক্ষেত্রেই এই ধরনের কাজ থেকে বিরত থাকতে হবে। একটি বিশেষ সম্প্রদায় গরুকে মাতা হিসাবে পূজা করে থাকেন সুতরাং তার প্রতি আমাদের দায় এবং দায়িত্ব দুটোই রয়েছে বলে অধিকাংশ মসজিদের ইমাম বলেছেন।

উল্লেখ্য আগামী ২৮ শে মে এই রাজ্যে ঈদুল আযহা পালিত হবে এই ঈদুল আযহা আবার কুরবানীর ঈদ নামে পরিচিত। এই সময় সম্পন্ন মুসলিমরা কুরবানী দিয়ে থাকেন কুরবানী শুধুমাত্র একটি পশু বলির মধ্য দিয়ে সীমাবদ্ধ থাকে না কুরবানী হচ্ছে এমন একটা জিনিস যার মধ্যে আমাদের সমাজের পশু প্রবৃত্তি গুলিকে পরিত্যাগ করতে হবে এটাই হচ্ছে কুরবানীর শিক্ষা। বর্তমান রাজ্যের বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর ১৯৫০ সালের গোহাত্তা আইনকে সামনে আনেন এবং সেখানে বলা হয় এই আইন পুরোপুরি মেনে চলতে হবে। কোন সম্প্রদায়ের জন্য একে ছাড় দেয়া হবে না। এই আইন যথাযথভাবে না মানলে জেল ও জরিমানা দুটোই হবে। এই প্রেক্ষাপটে দাঁড়িয়ে বাংলার মুসলিম সমাজ সিদ্ধান্ত নিয়েছে তারা গরু কুরবানী দেবেন না। আর এতেই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বাংলার গ্রামীণ অর্থনীতি।


শেয়ার করুন

সম্পর্কিত নিবন্ধ