কলকাতা 

শিশুর লেখাপড়া যথাসম্ভব ভারমুক্ত হওয়া চাই

শেয়ার করুন

বিশেষ প্রতিনিধি : রবিবার রাজাবাজার বিজ্ঞান কলেজ, মেঘনাদ সাহা অডিটোরিয়ামে শেখার সাথীর ১৮ তম বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়ে গেল। শেখার সাথী শিখন পদ্ধতির মূল নীতিই হল শিশুদের জন্য লেখাপড়া হতে হবে বিজ্ঞানমনস্ক এবং তা অবশ্যই হবে যথাসম্ভব ভারমুক্ত। শেখার সাথীর শিখন পদ্ধতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে শিশুদের যেসব শিক্ষাকেন্দ্রে শিখনের কাজ চলে সেই সব শিক্ষাকেন্দ্রের শিক্ষক শিক্ষিকারা এসেছিলেন এদিন সম্মেলনে। এছাড়াও এসেছিলেন অন্যান্য কয়েকটি শিশু-বিদ্যলয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকা ও সংগঠকরা। প্রাসঙ্গিক বিষয়ে উৎসাহী এবং উচ্চ-শিক্ষার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিবর্গ সহ শেখার সাথীর সদস্যরা অনেকে এই সভায় উপস্থিত ছিলেন। মোট উপস্থিত ছিলেন নব্বই জন।

সভায় শিশুশিক্ষা বিষয়ে শেখার সাথীর দৃষ্টিভঙ্গি ব্যাখ্যা করেন শেখার সাথীর সভাপতি ড. দেবব্রত মজুমদার এবং সম্পাদক ড. অরিজিৎ বিষ্ণু। বই ব্যবহার করে এবং বই ছাড়িয়ে শিশুরা কীভাবে মহা আনন্দে শিখতে পারে তা কয়েকটি ভিডিয়োর সাহায্যে বোঝান বসিরহাটের হরিশপুরের “আমাদের পাঠশালা”র শিশুদের বাবা-মা এবং শিক্ষক-শিক্ষিকারা।

Advertisement

সভায় উপস্থিত ছিলেন পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সহ শিক্ষা অধিকর্তা সমরেন্দ্রনাথ রায়। তিনি শেখার সাথীর বই এবং শিখন পদ্ধতির কথা জেনে বিশেষভাবে আনন্দিত হন। ডুমুরদহ, হুগলিতে অবস্থিত একলব্য মডেল স্কুলের সঙ্গে তিনি যুক্ত। সেই স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষিকারা শেখার সাথীর বই ও শিখনপদ্ধতি নিয়ে ভালোভাবে অনুশীলন করবেন এবং যথাসম্ভব গ্রহণ করবেন বলে জানান তাঁরা। ওই স্কুলের প্রধান শিক্ষিকাও একই কথা বলেন। বেড়াচাঁপার বেঙ্গল মডেল স্কুলের শিক্ষিকা বলেন অভিভাবক-অভিভাবিকাদের নিয়ে এই ধরনের আলোচনা সভা করা খুবই দরকার।

সভায় উপস্থিত আরও অনেকে প্রচলিত মুখস্থ বিদ্যার শিক্ষার বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে শিশুর কাছে শিক্ষা ভারহীন করায় শেখার সাথীর প্রচেষ্টার ভূয়সী প্রশংসা করেন।

এই সভায় উপস্থিত কয়েক জন শেখার সাথীর সদস্য হয়ে কার্যত ভারমুক্ত শিশুশিক্ষা প্রচেষ্টা আরও গতিশীল করে তোলার অঙ্গীকার করেন।


শেয়ার করুন

সম্পর্কিত নিবন্ধ