কলকাতা 

আমাদের দল থেকে কে প্রতিনিধিত্ব করবে? সেটা আমরা ঠিক করব, কেন্দ্র চাইলে প্রতিনিধি দলে নাম দিতাম কারণ সন্ত্রাসবাদ ইস্যুতে আমরা কেন্দ্রের পাশে আছি: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

শেয়ার করুন

বাংলার জনরব ডেস্ক : পাকিস্তানের সন্ত্রাসবাদের মুখোশ খুলে দেওয়ার জন্য বিশ্বের ৩৩টা দেশে যে সর্বদলীয় প্রতিনিধি দল যাচ্ছে সেই প্রতিনিধি দল থেকে তৃণমূল সাংসদ ইউসুফ পাঠানের নাম প্রত্যাহার করাকে কেন্দ্র করে দেশ জুড়ে বিতর্ক চরমে উঠেছে। এ প্রসঙ্গে দলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ইতিমধ্যেই তৃণমূলের পক্ষ থেকে একটি বিবৃতি জারি করেছেন। তিনি বলেছেন দলীয় স্তরে নাম চাওয়া হলে একটা কেন পাঁচটা নাম দেয়া হতো। কিন্তু একতরফাভাবে কেন্দ্র দলকে এড়িয়ে দলের কোন সাংসদকে বেছে নিতে পারে না। সুতরাং এই প্রেক্ষাপটে দাঁড়িয়ে এবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ইউসুফ পাঠান বিতর্কে নিজের মতামত ব্যক্ত করলেন।

সোমবার উত্তরবঙ্গ যাওয়ার পথে দমদম বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বিষয়টি তিনি একেবারে স্পষ্ট করে দিলেন। জানালেন, দলের প্রতিনিধি না পাঠানো মানে কেন্দ্রের সিদ্ধান্ত বয়কট করা নয়। জাতীয় নিরাপত্তা সংক্রান্ত সমস্ত বিষয়ে কেন্দ্রের পাশেই রয়েছে তৃণমূল।

Advertisement

মমতার সাফ বক্তব্য, ”আমরা যে প্রতিনিধি পাঠাচ্ছি না বা পাঠাতে চাইছি না, তেমনটা নয়। কেন্দ্র তো দলকে কিছু না জানিয়েই ঠিক করেছে। তাদের কি উচিত ছিল না দলকে এটা জানানো? আমাদের কাছে চাইলে আমরাই প্রতিনিধির নাম পাঠাতাম। কিন্তু তা করেনি। আর আমাদের দল থেকে কে প্রতিনিধিত্ব করবে, সেটা তো আমরাই ঠিক করব। এছাড়া আমি লোকসভা, রাজ্যসভায় দলের চেয়ারপার্সন। আমাকেও তো কিছু জানানো হয়নি।” মুখ্যমন্ত্রীর আরও বক্তব্য, ”এটা নিয়ে অযথা বিতর্কের কিছু নেই। আমাদের দলের কেউ বিদেশে যাচ্ছে না, তার মানে এই নয় যে আমরা তা বয়কট করছি। জাতীয় নিরাপত্তা ইস্যুতে কেন্দ্রের পাশে আছি।”

পহেলগাঁও জঙ্গি হামলার পর পাকিস্তানের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক দরবারে সন্ত্রাসের প্রমাণ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্র সরকার। সেই লক্ষ্যে তৈরি হয়েছে সর্বদলীয় এক প্রতিনিধি দল। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলে সাংসদ, মুখপাত্রদের নিয়ে তৈরি এই দল বিভিন্ন দেশে ঘুরে বিশ্বমঞ্চে পাকিস্তানের মুখোশ খোলার দায়িত্বপ্রাপ্ত। সেই দলে তৃণমূলের তরফে বহরমপুরের সাংসদ তথা প্রাক্তন ভারতীয় ক্রিকেটার ইউসুফ পাঠানের নাম দিয়েছিল কেন্দ্র। এই মর্মে ইউসুফকে ফোন করেছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরেণ রিজিজু। তারপরই অবশ্য তৃণমূলের তরফে তাঁর নাম প্রত্যাহার করা হয়।


শেয়ার করুন

সম্পর্কিত নিবন্ধ