জেলা 

আমতার কাশ্মালি অঞ্চলের কংগ্রেস প্রার্থী মর্জিনা বেগম এবং তার পরিবারের উপর বেলাগাম সন্ত্রাসের অভিযোগ,গুরুতর আহত অবস্থায় ভর্তি হাসপাতালে

শেয়ার করুন

বিশেষ প্রতিনিধি: জনগণের পয়সা খরচ করে রাজ্য নির্বাচন কমিশনের রাখার কোন প্রয়োজনীয়তা আছে বলে রাজ্যের মানুষ মনে করছে না সাংবিধানিক অধিকার গণতান্ত্রিক ভাবে নির্বাচন করা আর সেই নির্বাচনে অংশ নেওয়ার দাঁড়িয়ে যেভাবে সাধারন মানুষের উপরে শাসকদলের সন্ত্রাস চলছে, তার সমস্ত গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে বন্ধ করে দিয়েছে।

রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী যখন বিরোধী দলের নেত্রী ছিলেন তিনি তখন কথায় কথায় গণতন্ত্র রক্ষার কথা বলতেন আজ তারই আমলে গণতন্ত্র ধর্ষিত গণতন্ত্র বঞ্চিত গণতন্ত্র অবহেলিত। সমগ্র রাজ্যজুড়ে পঞ্চায়েত নির্বাচনকে ঘিরে মৃত্যু মিছিল অব্যাহত। আর এই মিছিলে মারা যাচ্ছে সবচেয়ে বেশি সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের যদিও তৃণমূলের নেতারা গর্বের সঙ্গে বলছেন যা মরছে তাদের অধিকাংশই নাকি তৃণমূল করবে কিন্তু তলিয়ে দেখলে দেখা যাবে এই সব তৃণমূল কর্মীরাই হচ্ছে মুসলিম সম্প্রদায়ের।

Advertisement

নির্বাচনের নাম করে মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যে বিভেদ তৈরি করার ভিন্ন অপচেষ্টা চলছে রাজ্যজুড়ে। সমস্ত রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে যে গন্ডগোল অশান্তি হচ্ছে তার পুরো ভাগেই রয়েছে মুসলিম সম্প্রদায় । মরছে মুসলিম মারছে মুসলিম। আরেকটি নির্মম ঘটনা আমাদের সামনে এসেছে, হাওড়া জেলার আমতা দু’নম্বর ব্লকের পঞ্চায়েতের ১২৮ নম্বর বুথে কংগ্রেস প্রার্থী মর্জিনা বেগমের উপরে আজ সকালে বেলাগাম সন্ত্রাস হয়েছে। কংগ্রেস প্রার্থী মর্জিনা বেগম তার মা এবং তার শিশু কন্যার উপরে নৃশংস ভাবে আক্রমণ চালিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে বলে অভিযোগ উঠেছে।

গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় মর্জিনা বেগমকে উলুবেরিয়া হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। পুলিশ এখনো পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করেনি। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে জনগণের পয়সা খরচ করে রাজ্য নির্বাচন কমিশন করছে টা কি। নির্বাচনের দাঁড়ানো প্রার্থীকেই যদি নিরাপত্তা দিতে না পারেন এরকম নির্বাচন কমিশন রাখাচ্ছে না রাখাই ভালো বলে ওয়াকিবহাল মনে করছে।

হাওড়া জেলার আমতা দু নম্বর ব্লকের কাশ্মালি অঞ্চলের ১২৮ নম্বর বুথের কংগ্রেস প্রার্থী শ্রীমতি মর্জিনা বেগম এবং তার মা ও শিশুকে নিশংসভাবে এইভাবে আক্রমণ করা হয় তৃণমূল কংগ্রেস এর দুষ্কৃতী দ্বারা।


শেয়ার করুন

সম্পর্কিত নিবন্ধ