দেশ 

মোদী পদবীকে কেন্দ্র করে বিতর্কিত মন্তব্যের জেরে রাহুল গান্ধীর আবেদনের শুনানি হলো না গুজরাট হাইকোর্টে, কেন হলো না শুনানি? জানতে হলে ক্লিক করুন

শেয়ার করুন

বাংলার জনরব ডেস্ক: দেশের বিচার ব্যবস্থা যে কোন পথে যাচ্ছে তা কল্পনাতীত। মোদি পদবী নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যের জেরে রাহুল গান্ধীর দু বছরের কারাদণ্ডের শাস্তি দেওয়ার পর সাংসদ পদ বাতিল হয়েছে। এরপর রাহুল গান্ধী নিম্ন আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে দায়রা আদালতে আবেদন করেছিলেন গত সপ্তাহে দায়রা আদালত নিম্ন আদালতের রায়কে বহাল রেখেছে। এরপর এই রায়ের বিরুদ্ধে গুজরাট হাইকোর্টে আবেদন করেছিলেন রাহুল গান্ধীর আইনজীবী। মঙ্গলবার আবেদন করার পর আজ শনিবার আজ বুধবার ছিল সেই মামলার শুনানি।

শুনানি শুরু হতেই গুজরাট হাইকোর্টের বিচারপতি এই মামলা থেকে সরে দাঁড়ান। ফলে আজ আর শুনানি হলো না। রাহুল গান্ধীর মামলা পেন্ডিং হয়ে রয়ে গেল। প্রশ্ন উঠেছে হাইকোর্টের একজন বিচারপতি কেন রাহুল গান্ধীর মামলা থেকে সরে দাঁড়ালেন যে বিচারপতি এই মামলার শুনছিলেন তিনি ব্যক্তিগতভাবে রাহুল গান্ধীর ঘনিষ্ঠ নন কিংবা মোদি পদবীধারী কোন ব্যক্তিরও ঘনিষ্ঠ নন তাহলে কি কারনে রাহুল গান্ধীর মামলা থেকে বিচারপতি সরে দাঁড়ালেন তা নিয়ে ইতিমধ্যে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

মঙ্গলবারই গুজরাট হাই কোর্টে (Gujarat High Court) আবেদন করেন রাহুল গান্ধী। রাহুলের দাবি ছিল, তাঁর রাজনৈতিক পরিচয়ে প্রভাবিত হয়ে অতিরিক্ত শাস্তি দিয়েছে নিম্ন আদালত। সেই রায়ের বিরোধিতা মঙ্গলবার নগর দায়রা আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে গুজরাট হাই কোর্টে আবেদন করেছেন রাহুল। অর্থাৎ তাঁকে যে দু’বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে সেটার বিরোধিতা করেছেন তিনি।

মঙ্গলবার মামলা দায়ের হওয়ার পরেই জানিয়ে দেওয়া হয়, বুধবারই এই মামলার শুনানি শুরু হবে। সেই মতোই বিচারপতি গীতা গোপির এজলাসে মামলার শুনানি শুরু হয়। সওয়াল শুরু করেন রাহুলের আইনজীবী পি এস চম্পানেরি। কিন্তু অল্প সময় পরেই বিচারপতি জানিয়ে দেন, “আমি এই মামলা শুনব না”। বুধবারের মতো বন্ধ হয়ে যায় রাহুলের মামলার শুনানি।

রাহুল গান্ধীর আইনজীবী জানান, আদালতের তরফেই তাঁকে অনুমতি দেওয়া হয় বুধবার এই বিচারপতির এজলাসে মামলা শুরু করতে। এই বিচারপতির অধীনেই মামলার শুনানি নির্দিষ্ট করা হয়, কারণ তিনি এই ধরনের মামলার বিচার করে থাকেন। কিন্তু বিচারপতির সরে দাঁড়ানোর কোনও কারণ জানা যায়নি। আপাতত বন্ধ থাকবে এই মামলার শুনানি। গুজরাট হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতির কাছে আবেদন জানানো হয়েছে, তিনি যেন অন্য কোনও এজলাসে এই মামলার শুনানির ব্যবস্থা করেন।


শেয়ার করুন

সম্পর্কিত নিবন্ধ