কলকাতা 

West Bengal SSC Scam: নিয়োগ দুর্নীতিতে জড়িয়ে শুভেন্দু অধিকারী! কুণাল ঘোষের দাবি নিয়ে চাঞ্চল্য রাজ্য রাজনীতিতে! কী বলছেন বিজেপি নেতারা? জানতে হলে ক্লিক করুন

শেয়ার করুন

বাংলার জনরব ডেস্ক : শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতির মামলায় এবার কি জড়িয়ে যাচ্ছেন বিরোধী দলনেতার শুভেন্দু অধিকারী? এই প্রশ্ন এই প্রশ্ন কয়েকদিন ধরে রাজ্য রাজনীতিতে ঘুরে বেড়াচ্ছিল! গতকাল রবিবার তৃণমূল মুখপাত্র কুণাল ঘোষ সরাসরি শুভেন্দু অধিকারীকে, গ্রুপ সি নিয়োগের মামলায় জড়িয়ে দিয়েছেন। তিনি দাবি করেছেন পূর্ব মেদিনীপুরের যে ৫৫ জন গ্রুপ সি কর্মীর চাকরি আদালতে নির্দেশে বাতিল হয়েছে সেগুলি নাকি বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী দিয়েছিলেন। শুভেন্দু অধিকারীর ঘনিষ্ঠ মহল থেকে কিংবা বিরোধী দলনেতার পক্ষ থেকে এ নিয়ে এখনো পর্যন্ত কোনো মতামত ব্যক্ত করা হয়নি।

তবে বিজেপি দলের পক্ষ থেকে মিহির গোস্বামী তৃণমূলকে কটাক্ষ করে বলেছেন চোরের মায়ের বড় গলা। এসএসসির মাধ্যমে নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে ইতিমধ্যেই রাজ্যের শিক্ষা দপ্তরের প্রাক্তন মন্ত্রী আধিকারিক সহ কয়েকজন তৃণমূল নেতা এবং বিধায়ক ও জেলে রয়েছেন এই প্রেক্ষাপটে শুভেন্দু অধিকারীর নাম জড়িয়ে যাওয়াটা রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে।

Advertisement

সম্প্রতি গ্রুপ সি পদে ৮৪২ জনের চাকরি বাতিলের নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাই কোর্ট। চাকরি বাতিলের সেই নথি দেখিয়ে শুভেন্দুর বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছেন কুণাল। রবিবার সাংবাদিক বৈঠকে কুণাল বলেছেন, ‘‘১৫০ জনকে চাকরি দিয়েছিলেন শুভেন্দু। তাঁর কথায়, নির্দেশে এবং ব্যবস্থাপনায় ১৫০ জনকে চাকরি দেওয়া হয়েছে। তার মধ্যে ৫৫ জনের চাকরি চলে গিয়েছে। আদালতের রায়ে যাঁদের চাকরি গিয়েছে, তাঁদের মধ্যে ৫৫ জন শুভেন্দুর এই ১৫০ জনের তালিকায় রয়েছেন।’’ এই ৫৫ জনের নামের তালিকা প্রকাশও করেছেন কুণাল।

কুণালের দাবি, শুভেন্দুর এক ‘ঘনিষ্ঠ’-এরও চাকরি গিয়েছে। তাঁর নামও প্রকাশ করেছেন তিনি। বলেছেন, ‘‘চাকরি বাতিলের তালিকায় ৫৭৯ নম্বরে রয়েছে সঞ্জীব সুকুলের নাম। নিজেকে শুক্লা বলে পরিচয় দেন। সঞ্জীব কে? শুভেন্দুর দক্ষিণহস্ত। গোটা মেদিনীপুর জানে কে শুভেন্দুর বিভিন্ন কাজ করেন।’’ এর পরই কুণালের প্রশ্ন, ‘‘সঞ্জীবকে কে চাকরি দিয়েছিল? তদন্ত করা হোক।’’

তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হলো ইতিমধ্যেই বিজেপি দলের রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার এবং সরবর ভারতীয় সহ সভাপতি দিলীপ ঘোষ দুজনেই সাংবাদিকদের কাছে বলেছেন দুর্নীতি করলে জেলে যেতে হবে। বিজেপিতে চলে এলেই দুর্নীতি করে পার পাবে না। বিজেপির দুই হেভিওয়েট নেতার এই ধরনের মন্তব্যের পরেই যেভাবে শুভেন্দুকে নিয়ে সরব হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস তাতে রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য দেখা দিয়েছে।

 


শেয়ার করুন

সম্পর্কিত নিবন্ধ