আলোর ভুবন গড়ার লক্ষ্যে আবাবিল
বিশেষ প্রতিনিধি: পিছিয়ে পড়ুক অথবা পিছিয়ে রাখুক এই তর্কাতর্কিতে না গিয়ে সমাজ গড়ার ভাবনা নিয়ে পথ চলা শুরু হয় ‘আবাবিল ইসলামের একাডেমী’র। উক্ত শিশুশিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি গড়ে ওঠে মন্দিরবাজার থানার ঝাপবেড়িয়ার কাছে।
উল্লেখ্য, ঝাপবেড়িয়া- টেক পাঁজা ছিল এক দুর্ধর্ষ এলাকা। আতঙ্ক গ্রামাঅঞ্চল। যেখানে রাজনৈতিক কলকাঠিতে প্রায় শতাধিক মানুষ রাজনীতির বলি হয়। মাথার মুন্ডু নিয়ে ফুটবল খেলার মত ন্যাক্কারজনক ঘটনাও ঘটেছিল।
কয়েক লক্ষ গ্রামবাসী অধ্যুষিত মুসলিম অঞ্চলটি থেকে প্রাণে বাঁচতে সামর্থ্যবান বিবেক সম্পন্ন মানুষজন দলে দলে গ্রাম ছেড়ে ভিন জায়গা আশ্রয় নেয়। গ্রামের মেয়েদের বয়স কাল পর্যন্ত বিয়ে-শাদী হতো না। জনজীবনে ছিল না কোনরূপ উন্নয়নের ছোঁয়া। শুধু ছিল আতঙ্ক আর আতঙ্ক।
সেই আতঙ্ক গ্রাম টেক পাজার ভূমিপুত্র মাওলানা মোজাফফর হোসেন এর উদ্যোগে সংগ্রামপুর- মন্দিরবাজার রোডের ধারে গড়ে উঠেছে ‘আবাবিল ইসলামিক একাডেমি’।
ঠিক গেল লকডাউনের কিছুদিন আগে শুরু হয় উক্ত একাডেমির পথচলার শুভসূচনা। প্রায় দু বছর লকডাউন থাকায় বন্ধ ছিল পাট পর্ব। চলতি বছরে শুরু হয়েছে নব উদ্যমে পাঠ প্রক্রিয়া।
গত ২২ ও ২৩ ডিসেম্বর ২০২২ দুদিন ব্যাপী আবাবিল ইসলামিক একাডেমির বার্ষিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। একাডেমির কচিকাঁচাদের কন্ঠে পরিবেশিত হামদ , নায়াত, আবৃত্তি, মোকাবুলা সহ ছিল উর্দু আরবি ভাষা নানান অঙ্গভঙ্গির সমবেত সংগীত।
উক্ত সভায় উপস্থিত ছিলেন একাডেমির প্রতিষ্ঠাতা মাওলানা মোজাফফর হোসেন, মাওলানা লুৎফর রহমান, মাওলানা জাকির হোসেন, মাওলানা আব্দুল্লাহ, শিক্ষক ও সাংবাদিক আজিজুল হক, মাওলানা আব্দুল কাদের, মাস্টার রমজান আলী, মাস্টার সাইফুদ্দিন। সমগ্র সভাটি সঞ্চালনা করেন মাওলানা মেসবাহুল হক।

