‘সিপিএম তাদের মিথ্যা এবং প্রতারণাপূর্ণ নোংরা ভোট প্রচারেই থেমে থাকেনি, আর সায়রা হালিমের কোনও ক্লাস নেই, তিনি লজ্জা পেতেও ভুলে গিয়েছেন’’ বালিগঞ্জের বামপ্রার্থীকে বেনজীর আক্রমণ বাবুলের
বাংলার জনরব ডেস্ক : বলিগঞ্জ বিধানসভার উপনির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেস জয়লাভ করবে তা নিয়ে কোনো সন্দেহ ছিল না । তবে সবার নজর ছিল সিপিএম প্রার্থী সায়রা শাহ হালিমের দিকে । হাসিম আবদুল হালিমের বৌমা সায়রা যে আম জনতার নজর কেড়ে নিয়েছে তা নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই । বালিগঞ্জ বিধানসভা এলাকায় এবার দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে বামেরা । আর এটা হয়েছে সায়রা হালিমের জন্যই । সিপিএমের এই অপ্রত্যাশিত সাফল্য অনেকের চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে । কয়েক মাস আগেও যেখানে বিজেপি ভাল ভোট পেয়েছিল সেখানে বামেদের এই উত্থান রাজনৈতিক মহলে চমক সৃষ্টি করেছে ।
Even after a filthy deplorable campaign full of lies & deceit @CPIM_WESTBENGAL & Saira Shah Halim shows no class, forget shame• She is talking the same gutter language even after people threw them away in favour of @AITCofficial • BTW, her party remains a BIG ZERO in Assembly
— Babul Supriyo (@SuPriyoBabul) April 16, 2022
কিন্ত এদিকে বাবুল সুপ্রিয় জেতার পরেই আবার আক্রমণ শুরু করে দিয়েছেন । খানিকটা বিজেপির কায়দায়। সায়রার মতো একজন অভিজাত পরিবাবের মেয়েকে যেভাষায় তিনি টুইটে আক্রমণ করেছেন তা সচেতন নাগরিক হিসাবে কেউ মেনে নিতে পারবেন না । বালিগঞ্জের নব নির্বাচিত তৃণমূল জনপ্রতিনিধি গতকাল রাতে টুইট করে বেনজীর আক্রমণ করেছেন সায়রাকে । টুইটারে বালিগঞ্জের বাম প্রার্থী সায়রা হালিমকে সরাসরি ‘লজ্জাহীন’ বলে আক্রমণ করলেন তিনি।বালিগঞ্জে প্রাপ্ত ভোটের নিরিখে দ্বিতীয় স্থান পেয়েছে সিপিএম। প্রার্থী সায়রা সেখানে দু’টি ওয়ার্ডে জয়ীও হয়েছেন। বামেদের প্রাপ্ত ভোটের সংখ্যা বেড়েছে আরও বেশ কয়েকটি ওয়ার্ডে। ভোটের এই সংখ্যাবৃদ্ধিকে এক রকম সাফল্য হিসেবে দেখাতে চাইছে সিপিএম। টুইটারে বাবুল লিখছেন, ‘সিপিএম তাদের মিথ্যা এবং প্রতারণাপূর্ণ নোংরা ভোট প্রচারেই থেমে থাকেনি। আর সায়রা হালিমের কোনও ক্লাস নেই। তিনি লজ্জা পেতেও ভুলে গিয়েছেন।’’

বামেদের ভোটের সংখ্যা বাড়লেও বালিগঞ্জের মানুষ যে শেষপর্যন্ত ভোট দিয়ে তৃণমূলকেই জিতিয়েছেন সে কথা মনে করিয়ে দিয়ে বাবুল লেখেন, ‘‘সায়রা এখনও সেই একই নর্দমার ভাষা বলে চলেছেন।’’ বাবুল সিপিএমকে এ কথাও মনে করিয়ে দিয়েছেন যে, গত বিধানসভা নির্বাচনে গোটা রাজ্যে তারা একটি আসনও পায়নি। ফলে তাদের হাতে একটি বড় শূন্য ছাড়া আর কিছুই নেই।

