জেলা 

স্কুলমুখী করতে দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার কৃষ্ণচন্দ্রপুর হাই স্কুলে ক্রীড়া প্রতিযোগিতার আসর

শেয়ার করুন

নায়ীমুল হকের প্রতিবেদন : গত কাল বৃহস্পতিবার মথুরাপুরের কৃষ্ণচন্দ্রপুর হাই স্কুলের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ২০২২ এর উদ্বোধন হল। তিন দিনের এই বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন রায়দিঘি বিধানসভার মাননীয় বিধায়ক ডা: অলক জলদাতা। তিনি বলেন, এই বিদ্যালয়টি শিক্ষা,সংস্কৃতি ও ক্রীড়া জগতে প্রতি বছর দৃষ্টান্ত স্থাপন করে চলেছে। এর জন্য আমরা সত্যিই গর্বিত।

এদিন আরও যাঁরা উপস্থিত ছিলেন, তাঁদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলা পরিষদ সদস্য শ্রী নির্মল মজুমদার এবং বিশিষ্ট সমাজসেবী শ্রী বাপি হালদার। বিদ্যালয়ের সাড়ে চার হাজার ছাত্রছাত্রীর মধ্যে দুই হাজারেরও বেশি ছাত্র-ছাত্রী এই প্রতিযোগিতার ৪৭ টি বিভাগে অংশ নেয়।

Advertisement

গত বছর করোনা জনিত কারণে ক্রীড়া প্রতিযোগিতা বন্ধ থেকেছে। বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীরা অত্যন্ত উৎসাহ এবং প্রাণোচ্ছল ভাবে প্রতিযোগিতা তে অংশগ্রহণ করছে। আজ শুক্রবার এবং শনিবার এই প্রতিযোগিতা চলবে। বিদ্যালয় এর শিক্ষক-শিক্ষিকাগণ এবং শিক্ষাকর্মীকর্মীগনের অসাধারণ দক্ষতায় এই ক্রীড়া প্রতিযোগিতা পরিচালনা করছেন। প্রত্যেকের জন্য প্রতিদিন দুপুরে মধ্যাহ্নভোজের ব্যবস্থা রেখেছে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

আগামী শনিবার পুরস্কার বিতরণী সভা সংঘটিত হবে। উপস্থিত থাকবেন মথুরাপুর এক নম্বর ব্লকের মাননীয় সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক শ্রী তারাশঙ্কর প্রামানিক এবং মথুরাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক শ্রী সলিল মণ্ডল প্রতিটি বিভাগে প্রথম, দ্বিতীয় এবং তৃতীয় স্থান অধিকারী কে পুরস্কৃত করা। কিচেন গার্ডেনের সবজি, পুকুরের মাছ দুপুরের মধ্যাহ্ন ভোজনে রাখা হয়েছে। উদ্বোধনে সারা ভারতবর্ষে শান্তি ও সম্প্রীতির বার্তা দিতে পায়রা ওড়ানো হয়। মার্চ পাস্ট,ফানুস ওড়ানো, মশাল দৌড় , সমবেত নৃত্য,ইত্যাদি রাখা হয়।

সাঁতার প্রতিযোগিতা, বস্তা দৌড়, অংক দৌড়, ছাত্র-শিক্ষক এরমধ্যে ক্রিকেট প্রতিযোগিতা, ব্যাডমিন্টন প্রতিযোগিতা সহ একাধিক চিত্তাকর্ষক ক্রীড়াসূচী রয়েছে। উৎসাহ উদ্দীপনা নিয়ে ছাত্র-ছাত্রীরা উৎসবের মেজাজে প্রত্যেকটি ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় অংশ নিচ্ছে। প্রায় দু বছর করোনা মহামারীর করানো স্কুল ছুট রুখতে,নাবালিকা বিয়ে রুখতে,শরীর চর্চার অভ্যাস গড়তে, ছাত্র ছাত্রীদের স্কুলমুখী করতে আমাদের বিদ্যালয়ের এই প্রচেষ্টা,বলেন প্রধান শিক্ষক চন্দন কুমার মাইতি।


শেয়ার করুন

সম্পর্কিত নিবন্ধ