কলকাতা 

এনআরসি ইস্যুতে কেন্দ্রীয় সরকার, অসম সরকার ও আমাদের রাজ্য সরকারও সমানভাবে দায়ী : বিমান বসু

শেয়ার করুন
  • 2
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

নিজস্ব প্রতিনিধি : আজ কলকাতায় স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে বামফ্রন্ট মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে। কলকাতায় বিভিন্ন জায়গায় মানববন্ধন হয়। শ্যামবাজার, মৌলালি, মল্লিকবাজার, হাজরা মোড়, যাদবপুর ৮ বি বাসস্ট্যান্ড, খিদিরপুর মোড় এবং বেহালায় মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়। সবথেকে বড় মানববন্ধন হয় এ জে সি বোস রোডের এন্টালিবাজারের সামনে। উত্তরে মৌলালি মোড় থেকে দক্ষিণে নোনাপুকুর ট্রামডিপো পর্যন্ত মানববন্ধন হয়। সেখানে উপস্থিত ছিলেন বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু এবং সিপিএম রাজ্য সম্পাদক সূর্যকান্ত মিশ্র সহ অন্য বাম নেতারা। মানববন্ধন থেকে মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের আধিপত্য থেকে মুক্ত হওয়ার শপথ নেওয়া হয়। দেশের সার্বভৌমত্ব, গণতন্ত্র, ধর্মনিরপেক্ষতা, জাতীয় সংহতি, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও জাতি, ভাষা, বর্ণের ঐক্য সংহতি প্রতিষ্ঠিত করার কথা বলা হয়। শপথবাক্য পাঠ করান প্রাক্তন সাংসদ প্রশান্ত চট্টোপাধ্যায়। পরে সংক্ষিপ্ত ভাষণ দেন সূর্যকান্ত মিশ্র এবং বিমান বসু।

বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিমান বসু বলেন, “স্বাধীনতার ৭২ বছর পরও কোটি কোটি পরিবার না খেয়ে রাতে শুতে যায়। ঘুম আসে না। শিশুর পথ্য নেই। চিকিৎসা নেই। শিক্ষার আলো পৌঁছায়নি সর্বত্র। শিক্ষিত বেকারের কর্মসংস্থান নেই। নারীর লাঞ্ছনা ঘটছে। আদিবাসীরা অত্যাচারিত হচ্ছে। হিন্দু, মুসলিম, খ্রিশ্চিয়ান ভাগাভাগি চলছে। রাজনীতি চলছে। সেখান থেকেই নাগরিকপঞ্জির নতুন উদ্যোগ দেখা দিয়েছে।”

সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, “অনেকের সঠিক কাগজপত্র জমা দেওয়ার পরই নাম ওঠেনি। আর দুঃখের হলেও বাস্তব যে আমাদের রাজ্যের অনেক মেয়ের বিয়ে হয়েছে অসমে। রাজ্য সরকারের কাছে কাগজপত্র চেয়ে পাঠানো হয়েছিল ডকুমেন্টস ভেরিফিকেশনের জন্য। তৃণমূল নেত্রী হুংকার দিচ্ছেন। তিনি অনেক কথা বলছেন। কিন্তু সঠিক কাগজ পাঠায়নি রাজ্য সরকার। তাই কেন্দ্রীয় সরকার, অসম সরকার ও এরাজ্যের সরকার পুরোপুরি ব্যর্থ।”

বিমান বসু আরও বলেন, “এনআরসি নিয়ে অসম বনাম পশ্চিমবঙ্গ রাজনীতি করছে এ রাজ্যের সরকারই। অসম বনাম পশ্চিমবঙ্গ করে তুলেছে রাজ্য সরকার। আমরা অসমের বিরুদ্ধে নয়। অসমের মানুষের বিরুদ্ধে নই। রাজ্য বনাম অন্য রাজ্যের বিরুদ্ধে নই। জাতীয় নাগরিকপঞ্জির প্রশ্নে ভারত সরকারকেই দায়িত্ব নিতে হবে।”

 

 

 

 

ছবি : ফাইল চিত্র

 

 


শেয়ার করুন
  • 2
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সম্পর্কিত নিবন্ধ

Leave a Comment