দেশ 

১২ থেকে ২০০০ হাজার ভোটের ব্যবধানে হেরেছেন ২০ জন প্রার্থী , গণনায় কারচুপি! অভিযোগ অস্বীকার কমিশনের

শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

বাংলার জনরব ডেস্ক : ১২ ভোটে একজন জিতেছেন জেডি(ইউ) প্রার্থী  ১১৩ ভোটে জিতেছেন , ১৮৯ ভোটে জিতেছেন জেডি(ইউ) প্রার্থী , ১৮৯ ভোটে জিতেছেন আরজেডি প্রার্থী , ৩৩৩ ভোটে জিতেছেন এলজেপি প্রার্থী , ৪৬২ ভোটে জিতেছেন জেডি(ইউ) প্রার্থী , ৪৬৪ ভোটে জিতেছেন আরজেডি প্রার্থী , ৪৮৪ ভোটে জিতেছেন বিজেপি প্রার্থী । ১২ থেকে ৫০০ ভোটের ব্যবধানে হার জিত হয়েছে মোট ৭টি কেন্দ্রে । আর সেই কারণেই গভীর রাত পর্যন্ত ভোটগণনা ঘিরে ছিল টানটান উত্তেজনা। কারচুপির অভিযোগ তুলে সরব তেজস্বী যাদব ও তাঁর দল আরজেডি-সহ বিরোধীরা। যদিও সে অভিযোগ খারিজ করে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। ৩টি কেন্দ্রে পুনর্গণনার দাবি জানিয়েছে বামেরা।

৫০০ থেকে ১ হাজার ভোটের ব্যবধানে হার-জিত ঠিক হয়েছে চারটি কেন্দ্রে। ১ হাজার থেকে ১ হাজার ৫০০ ভোটের ব্যবধান রয়েছে ৩টি বিধানসভায়। ১৫০০ থেকে ২০০০ ভোটে জয়ী বা পরাজিত প্রার্থীর ভাগ্য নির্ধারণ হয়েছে, এমন কেন্দ্রের সংখ্যা ৬টি। সব মিলিয়ে ২০ টি কেন্দ্রে জয়ের ফারাক ২ হাজার ভোটের কম।

এত কম ব্যবধানে জয়-পরাজয় নির্ধারিত হওয়ায় ভোটে কারচুপির অভিযোগ তুলেছে আরজেডি। দলের নেতাদের অভিযোগ, তাঁদের প্রার্থীরা অনেক জায়গায় জয়ী হলেও মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারের চাপে পড়ে বিজয়ীর সার্টিফিকেট দেয়নি নির্বাচন কমিশন। এমনকি, মঙ্গলবার ১১৯টি কেন্দ্রের জয়ী প্রার্থীদের তালিকাও প্রকাশ করে আরজেডি। পটনায় প্রতিবাদ-বিক্ষোভ হয়েছে। মঙ্গলবার রাতে নির্বাচন কমিশনে গিয়ে দলের নেতা মনোজ ঝা অভিযোগ করেন, প্রশাসনের উপর বিশ্বাস নেই তাঁদের। কারচুপির অভিযোগ তুলে কংগ্রেস নেতা অখিলেশ সিংহও বলেন,  গণনায় অস্বচ্ছতা আছে। কমিশনের কাছে বিচার চাই আমরা।

কমিশনের তরফে অবশ্য জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, অভিযোগ ভিত্তিহীন। কমিশনের এক প্রতিনিধি বলেন, ‘‘আমাদের উপর কোনও চাপ নেই।’’


শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সম্পর্কিত নিবন্ধ

Leave a Comment