আন্তর্জাতিক 

চিন-ইতালি-স্পেন-ইরাণের পর এবার করোনার নতুন ভরকেন্দ্র আমেরিকা ? ৫০ হাজারের বেশি আক্রান্ত হওয়ার পর হু-র আশঙ্কায় উদ্বেগে ট্রাম্প প্রশাসন

শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

বাংলার জনরব ডেস্ক : মারণ ভাইরাস করোনা এখন ইউরোপ ও আমেরিকায় দাপিয়ে বেড়াচ্ছে । মনে হচ্ছে যেন , এই দুই মহাদেশের মানুষকে টার্গেট করেছে করোনা । ইতালিতে চলছে মৃত্যু মিছিল , স্পেনের পর এবার আমেরিকাতে সমান ভাবে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে চলেছে । হিসাব মতে বিশ্বে নতুন করে মোট আক্রান্তের ৮৫ শতাংশই ইউরোপ -আমেরিকায় । আবার এদের মধ্যে শুধু মাত্র আমেরিকা আক্রান্ত হয়েছে ৪০ শতাংশ। এই পরিসংখ্যান প্এরকাশ পাওয়ার পর বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার হু-এর আশঙ্কাই উদ্বেগ বাড়িয়েছে ট্রাম্প প্রশাসনের।

জেনিভায় হু-এর মুখপাত্র মার্গারেট হ্যারিস জানিয়েছেন, আমেরিকায় সংক্রমণের হার ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। তিনি বলেন, ‘‘মঙ্গলবার পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় ৮৫ শতাংশ নতুন আক্রান্তই ইউরোপ ও আমেরিকায়। তার মধ্যে আবার শুধু আমেরিকাতেই ৪০ শতাংশ।’’ তাহলে কি করোনা ভাইরাসের নতুন নিশানা হয়ে উঠছে আমেরিকা? এই প্রশ্নের জবাবে মার্গারেট বলেন, ‘‘এখন আমরা দেখতে পাচ্ছি, আমেরিকায় ব্যাপক হারে সংক্রমণ বাড়ছে। তাই ভরকেন্দ্র হয়ে ওঠার যথেষ্ট সম্ভাবনা রয়েছে।

আমেরিকায় এই মুহূর্তে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা ৫৪ হাজার ৮৬৭। মৃত্যু হয়েছে ৭৮২ জনের। চিকিৎসায় সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৩৭৮ জন। তার মধ্যে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত নিউইয়র্ক, নিউ জার্সি, ক্যালিফোর্নিয়া, ওয়াশিংটনের মতো প্রদেশ।

আমেরিকায় প্রথম করোনা সংক্রমণ ধরা পড়ে ২০ জানুয়ারি। তার পর থেকে অল্প সংখ্যায় বাড়ছিল। গত ১৭ মার্চ পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা ছিল মাত্র ১০০। কিন্তু সেখান থেকে গত সপ্তাহে লাফিয়ে বাড়তে শুরু করে আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা। আচমকা এক সপ্তাহের মধ্যে মৃতের সংখ্যা ১০০ থেকে প্রায় ৮০০ হয়ে যাওয়ায় কারণেই হু-এর এই আশঙ্কা বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

তবে সতর্কতাও জারি রয়েছে। সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার জন্য একাধিক প্রদেশে লকডাউন জারি হয়েছে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজে বাসিন্দাদের ঘরে থাকার আর্জি জানিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, খাবার-সহ অত্যাবশ্যকীয় পণ্যের জোগান স্বাভাবিক রাখার সব রকম চেষ্টা চলছে।

 


শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সম্পর্কিত নিবন্ধ

Leave a Comment