কলকাতা 

আমার বক্তব্য মৌলিক , কারও কাছ থেকে টুকলি করিনি : মহুয়া মৈত্র

শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

বাংলার জনরব ডেস্ক : মহুয়া মৈত্র বাংলার তৃণমূলের সাংসদ । ২৫ জুন সংসদে যে ভাষণ দিয়েছেন তা এক কথায় অনবদ্য । দেশে-বিদেশে সেই ভাষণের প্রশংসা্ চলছে । এমনকি বলা হচ্ছে মহুয়া মৈত্রের মধ্যে হীরেন মুখার্জি , সাইফুদ্দিন চৌধুরি কিংবা সর্দার আমজাদ আলীদের ছায়া দেখা যাচ্ছে । শুদ্ধ ইংরেজি উচ্চারণ , অসাধরণ যুক্তি ও বাগ্মীতায় সমগ্র সংসদে নজর কেড়ে নিয়েছিলেন মহুয়া মৈত্র । সেই দাপুটে ভাষণ এবং মোদী অমিত শাহদের লক্ষ্য করে হিন্দি কবিতার পংক্তি তুলে ধরে মহুয়া বলেছিলেন , কিসিকা বাপ কি হিন্দুস্থান থোরী হ্যায় । এ কথা হজম করতে পারেননি মোদী সরকার । তাই এবার এক সাংবাদিককে রাস্তায় নামিয়েছেন । ওই সাংবাদিক তথ্য প্রমাণ বলেছেন এই ভাষণ আসলে চুরি করা ভাষণ । ওয়াশিংটন মান্থলির তরফে ট্যুইট করে দাবি করা হয়, “ফ্যাসিবাদের ১২টি লক্ষণ”  শীর্ষক প্রতিবেদন তারা প্রকাশ করেছিল মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে নিয়ে, সেখান থেকেই বক্তব্যের অংশ তুলে ধরেছেন তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র। এই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে সাংসদ মহুয়া মৈত্র বলেছেন ,

“ভাষণে উল্লিখিত তথ্যের সূত্র গোপন করলে তবেই তা প্লেজিয়ারিজমের আওতায় পড়ে। ফ্যাসিবাদের লক্ষণ সংক্রান্ত যে বক্তব্য আমি বলেছি তা   রাষ্ট্রবিজ্ঞানী ডঃ লরেন্স ডব্লিউ ব্রিটের তৈরি হলোকাস্ট মিউজিয়ামের পোস্টার থেকে নেওয়া, তা আমি উল্লেখ করেছিলাম। সেখানে ফ্যাসিবাদের ১৪ টি লক্ষণ উল্লেখ করা হয়েছিল, আমি তার মধ্যে ৭ টি লক্ষণ আমাদের দেশের ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক মনে করে উল্লেখ করি”।

মহুয়া আরও বলেছেন, “আমার যা বক্তব্য ছিল, মন থেকে বলেছি। দেশের প্রতিটা মানুষ যারা তা শেয়ার করেছেন, মন থেকেই করেছেন। আমার বক্তব্য যে এত জনপ্রিয় হয়েছে, তা মৌলিক কারণেই হয়েছে। ‘বাঁধনে মুঝে তু আয়া হ্যায়, জঞ্জির বড়ি কেয়া লায়া হ্যায়’ (আমায় বাঁধতে এসেছে, কত বড় শেকল এনেছ?)”।

 


শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সম্পর্কিত নিবন্ধ

Leave a Comment