দেশ 

ভোটার তালিকায় স্বচ্ছতার দাবি করলেও রাহুল গান্ধীর কাছে আত্মসমর্পণ করল নির্বাচন কমিশন!

শেয়ার করুন

বাংলার জনরব ডেস্ক : কোন ভুল হচ্ছে না স্বচ্ছতার সঙ্গে নির্বাচন কমিশন কাজ করছে বড় বড় দাবি করলেও রাহুল গান্ধী ও অখিলেশ যাদবের দাবির কাছে শেষ পর্যন্ত মাথানত করল নির্বাচন কমিশন। রাহুল গান্ধীরা অভিযোগ করেছিলেন উত্তর প্রদেশের পিলভিতে ৮ নম্বর ফর্ম নিয়েছে অভিযোগ করেছিলেন শেষ পর্যন্ত তার সংশোধনের উদ্যোগ নিল নির্বাচন কমিশন। উত্তরপ্রদেশের পীলীভীতে ফর্ম ৮ ঘিরে অনিয়মের অভিযোগে দুই ইআরও-কে নিলম্বিত করার নির্দেশ দিল কমিশন। একই সঙ্গে ওই দুই আধিকারিকের বিরুদ্ধে এফআইআর রুজু করার জন্যও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

ভোটার তালিকায় নাম থাকা ব্যক্তিদের বিভিন্ন তথ্য সংশোধন বা পরিবর্তনের জন্য ফর্ম ৮ জমা দিতে হয়। কমিশন জানিয়েছে, গত ৩১ মে থেকে ২৯ অগস্টের মধ্যে ‘সংশোধনের’ জন্য ১৩ হাজার ৭৭৯টি ফর্ম ৮ জমা নথিবদ্ধ করেছিলেন কমিশনের কাজে নিযুক্ত এক কম্পিউটার সহযোগী। কিন্তু সেগুলির কোনও কাগুজে নথি কিংবা প্রয়োজনীয় নথিপত্র দফতরে পাওয়া যায়নি বলে অভিযোগ। ওই ঘটনার প্রেক্ষিতে পীলীভীতের দুই ইআরও ময়ঙ্ক গোস্বামী এবং হেমন্ত চৌধরীকে অবিলম্বে নিলম্বিত করার নির্দেশ দিয়েছে কমিশন।

কংগ্রেস এবং সমাজবাদী পার্টির তরফে গত মাসেই এই অভিযোগ প্রকাশ্যে আনা হয়েছিল। এ বার সেই অনিয়মের অভিযোগ মেনে নিল কমিশন। সম্প্রতি উত্তরপ্রদেশের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিককে পাঠানো চিঠিতে ওই দুই ইআরও এবং কম্পিউটার অপারেটরের বিরুদ্ধে এফআইআর রুজু করারও নির্দেশ দিয়েছে তারা। কমিশনের অনুমতি ছাড়া তাঁদের আর এই সংক্রান্ত কাজে নিয়োগ করার যাবে না বলেও সিইও-কে জানিয়েছে কমিশন।

পাশাপাশি উত্তরপ্রদেশে কমিশনের কাজে নিযুক্ত প্রত্যেক ডিইও এবং ইআরও-কেও বাড়তি সতর্কতার সঙ্গে কাজ করতে বলা হয়েছে। প্রত্যেকে যেন নিজ নিজ দায়িত্বপ্রাপ্ত অঞ্চলের ভোটার তালিকাগুলি পুঙ্খানুপুঙ্খ ভাবে যাচাই করেন, সেই নির্দেশ দিয়েছে কমিশন। বিশেষ করে ফর্ম ৬, ফর্ম ৭ এবং ফর্ম ৮-এর মাধ্যমে ভোটার তালিকায় নাম সংযোজন, বাদ দেওয়া বা সংশোধনের ক্ষেত্রে নথিপত্র ভাল ভাবে খতিয়ে দেখার জন্য বলা হয়েছে।


শেয়ার করুন

সম্পর্কিত নিবন্ধ