গবেষণায় উৎকর্ষের স্বীকৃতি, আইইএমের সম্মাননা পেলেন দুই বিশিষ্ট গবেষক
বিশেষ প্রতিনিধি : গবেষণা ও টেকসই বর্জ্য ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে দুই বিশিষ্ট গবেষককে সম্মান জানাল ইনস্টিটিউট অব ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট । সল্টলেকের ম্যানেজমেন্ট হাউসে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তাঁদের হাতে তুলে দেওয়া হয় গবেষণাক্ষেত্রে আইইএম উৎকর্ষ সম্মাননা ২০২৬।
একইসঙ্গে এদিন শুরু হয়েছে টেকসই বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে পঞ্চম আন্তর্জাতিক সম্মেলন। সম্মেলনের উদ্বোধনী অধিবেশনের মধ্যেই সম্মানিত করা হয় যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইসচ্যান্সেলর অধ্যাপক চিরঞ্জীব ভট্টাচার্য এবং সিএসআইআর সেন্ট্রাল মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং রিসার্চ ইনস্টিটিউটের বিজ্ঞানী অধ্যাপক অমিত গাঙ্গুলিকে। বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং বৈজ্ঞানিক উদ্ভাবনের ক্ষেত্রে তাঁদের উল্লেখযোগ্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবেই এই সম্মান প্রদান করা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আইইএমের ডিরেক্টর অধ্যাপক সত্যজিৎ চক্রবর্তী, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন ডিন এবং আইএসডব্লিউএমএডব্লিউ-এর সভাপতি অধ্যাপক সাধন কুমার ঘোষ, আইইএমের প্রিন্সিপাল অধ্যাপক অরুণ কুমার বার, মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রধান অধ্যাপক দ্বৈপায়ন দে এবং অধ্যাপক রাহুল বৈদ্য-সহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।
সম্মেলনে টেকসই বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি, বৈজ্ঞানিক গবেষণা ও উদ্ভাবন নিয়ে আলোচনায় বক্তব্য রাখেন অধ্যাপক সাধন কুমার ঘোষ। তিনি বলেন পরিবেশ ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনার মতো গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে গবেষণাকে উৎসাহিত করার পাশাপাশি টেকসই উন্নয়নের বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করাই এই সম্মেলনের অন্যতম লক্ষ্য। তিনি দেখিয়েছেন কীভাবে বর্জ্যের স্তূপকে বিদ্যুৎ, সিমেন্ট এবং অন্যান্য পুনর্ব্যবহারযোগ্য পণ্যে রূপান্তরিত করার সফল ব্যবসায়িক মডেল তৈরি করা হচ্ছে, যা পশ্চিমবঙ্গেও সম্ভব।

