প্রচ্ছদ 

বারুইপুরের ঘটনায় অন্যতম অভিযুক্ত ও সাক্ষী প্রভাস মণ্ডলের এনকাউন্টার 

শেয়ার করুন

বাংলার জনরব ডেস্ক : পুলিশের এনকাউন্টারে নিহত বারুইপুরে নাবালিকার নারকীয় ধর্ষণ ও খুন-এর ঘটনায় অন্যতম অভিযুক্ত ও সাক্ষী প্রভাস মণ্ডল। এই প্রভাস মণ্ডল-ই সেই ব্যক্তি যাকে বারুইপুরের সাধারণ জনতা আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেয় এবং জেরা করে মৃতদেহ খুঁজে বার করে। এই প্রভাস মণ্ডলের কাছ থেকে প্রথম দিন থেকেই এই নারকীয় ঘটনার সাথে যুক্ত বহু তথ্য পাওয়া গেছে, পাওয়া গেছে অপরাধীদের নাম। এমনকি, এই ব্যক্তি মিডিয়ার সামনেও কথা বলেছে, অপরাধীদের নাম নিয়ে এসেছে। বলাই বাহুল্য, এই প্রভাস মণ্ডল থেকে এই ঘটনার সাথে যুক্ত আরও বহু তথ্যই পাওয়া যাচ্ছিল হয়তো আরো পাওয়া যেতো।

পুলিশের সূত্র থেকে জানা গেছে, মঙ্গলবার গভীর রাতে ঘটনার পুনর্নিমাণের জন্য প্রভাসকে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল বারুইপুরের সূর্যপুরে। সেই সময় পুলিশের বন্দুক ছিনিয়ে নিয়ে পালানোর চেষ্টা করায় গুলি চালায় পুলিশ। পুলিশের এই বয়ান সন্দেহের ঊর্ধ্বে নয়৷ কারণ, যে প্রভাস মণ্ডলকে স্থানীয়রা আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দিলো, সেই প্রভাস মণ্ডল কীভাবে পুলিশী নিরাপত্তা থেকে পালাতে পারে, প্রশ্ন উঠছেই।

আমরা দেখেছি, উত্তরপ্রদেশে বহু ফেক এনকাউন্টারের অভিযোগ উঠেছে। কিছুদিন আগে বিহার পুলিশ এনকাউন্টারে ভরত তিওয়ারিকে মারার পরেও বহু প্রশ্ন উঠেছে।

আমরা প্রত্যেকেই ন্যায় বিচার চাই কিন্তু আইন আদালতকে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে এনকাউন্টারের মাধ্যমে কি ন্যায় বিচার পাওয়া যাবে ? এধরণের বিচার বহির্ভূত এনকাউন্টারের ক্ষেত্রে বারংবার এই প্রশ্নই উঠে আসে, যে অপরাধের সাথে জড়িত কোনো রাঘব বোয়ালকে বাঁচাবার জন্যই কি এনকাউন্টারের অবতারণা? কিংবা জনগণের ক্ষোভকে প্রশমিত করার লক্ষ্যে এ ধরনের প্রয়াস !! প্রভাস মণ্ডলকে এনকাউন্টারে হত্যা না করলে তার থেকে হয়তো আরও বহু অজানা তথ্য উদ্ধার করা যেতো, এখন তার আর কোনো উপায় অবশিষ্ট রইলো না। ফলে এই বিচারবহির্ভূত এনকাউন্টার নিয়ে প্রশ্ন উঠতে বাধ্য।


শেয়ার করুন

সম্পর্কিত নিবন্ধ