ভোটার তালিকায় নাম তোলার জন্য স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগ করছে কমিশন!
বাংলার জনরব ডেস্ক : বিহারে বিশেষ নিবিড় সমীক্ষা (স্পেশ্যাল ইনটেনসিভ রিভিশন বা এসআইআর) করছে নির্বাচন কমিশন। কারা প্রকৃত ভোটার, কাদের নাম তালিকায় থাকবে, তা নির্ধারিত হচ্ছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন নির্ধারিত ১১টি নথির ভিত্তিতে। তবে গোটা প্রক্রিয়া নিয়েই বিতর্ক তৈরি হয়েছে। এই আবহে রবিবার কমিশন জানাল, প্রয়োজনীয় নথি পেতে ভোটারদের সাহায্য করবেন স্বেচ্ছাসেবকেরা। এই কারণে বিহারের নানা প্রান্তে স্বেচ্ছাসেবকদের নিযুক্ত করছে নির্বাচন সদন।
রবিবার কমিশনের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, যে কোনও ভোটার, বিশেষত প্রবীণ নাগরিক, প্রতিবন্ধীদের প্রয়োজনীয় নথি পেতে সাহায্য করবেন স্বেচ্ছাসেবকেরা। স্বেচ্ছাসেবকেরা সংশ্লিষ্ট ভোটারদের সঙ্গে যোগাযোগ রেথে চলবেন। ফলে তাঁরা বিভিন্ন সরকারি দফতর থেকে সহজেই নথি পাবেন বলে জানানো হয়েছে ওই বিজ্ঞপ্তিতে।
রবিবার এক বিবৃতিতে কমিশন জানিয়েছে, কোনও বৈধ ভোটার নিজের দাবি এবং অভিযোগ জানানোর জন্য ১ অগস্ট থেকে ১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময় পাবেন। এই সময়ের মধ্যে তাঁরা নিজেদের নাম পুনরায় তালিকাভুক্ত করার সুযোগ পাবেন। কমিশনের বক্তব্য, ভুলবশত কাউকে তালিকায় যোগ করা বা বাদ দেওয়া হয়েছে কি না, তা যাচাই করার জন্য এক মাস সময় থাকছে। তা ছাড়া, কমিশনের দেওয়া ফর্ম পূরণের পর বৈধ ভোটারের প্রমাণপত্র হিসাবে প্রয়োজনীয় নথি জমা দিতে হবে ১ অগস্ট থেকে ১ সেপ্টেম্বরের মধ্যেই। সেই সমস্ত নথি খতিয়ে দেখার পর ৩০ সেপ্টেম্বর বিহারের চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করবে কমিশন।
কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, বিহারে মোট ৭ কোটি ২৪ লক্ষ ফর্ম বিলি করা হয়েছিল প্রথম দফার সমীক্ষার জন্য। সংখ্যাটা মোট ভোটারের ৯১.৬৯ শতাংশ। কমিশন আগেই জানিয়েছিল, অন্তত ৫৬ লাখ ভোটার বাদ পড়তে চলেছে বিহারে। এ বার তার হিসাবও দিয়েছে কমিশন। তারা জানিয়েছে, কেউ অন্যত্র চলে গিয়েছেন।

