আন্তর্জাতিক 

ইসরাইলের আয়রন ডোম নিরাপত্তা দেওয়া তো দূরের কথা আরো বেশি বিপন্ন করে তুলেছে ইসরাইলিদের

শেয়ার করুন

বাংলার জনরব ডেস্ক : একাদশ দফা হামলাতে ই ইসরাইলের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সম্পূর্ণভাবে ভেঙে পড়েছে। বলা যেতে পারে কার্যত অচল হয়ে গেছে। দেশের নিরাপত্তার জন্য ইসরাইল যেখানে আয়রন ডোম নামে প্রতিরক্ষা নিরাপত্তা ব্যবস্থা করেছিল সেই আয়রন ডোম এখন ইসরাইলের কাছে বিপদের সংকেত হয়ে দাঁড়িয়েছে। দেখা যাচ্ছে এই আয়রন ডোম ইরানের হামলার প্রতিহত করা তো দূরের কথা বর ং ইরানের পাঠানো মিসাইল গুলিকে আরো বেশি ছড়িয়ে দিচ্ছে। এর ফলে ইসরাইলের বিভিন্ন স্থানে বিস্ফোরণ হতে দেখা যাচ্ছে।

বুধবার ভোরে আইআরজিসি এক বিবৃতিতে জানায়, প্রথম প্রজন্মের উন্নত ‘ফাত্তাহ’ ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে ইসরাইলের আকাশ প্রতিরক্ষা ভেদ করা হয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়, ‘এই হামলা ইরানের শক্তির বার্তা পাঠিয়েছে তেল আবিবের যুদ্ধোন্মাদ, বিভ্রমগ্রস্ত মিত্র যুক্তরাষ্ট্রের কাছে।’

বিবৃতিতে আরও দাবি করা হয়, ‘আমরা এখন দখলকৃত ভূখণ্ডের আকাশপথে পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করেছি। সেই অঞ্চলের সাধারণ মানুষ ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার সামনে এখন সম্পূর্ণ অসহায়।’

হামলার কয়েক ঘণ্টা আগেই ইরান একাধিক ইসরাইলের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানে। ফিলিস্তিনি দখলকৃত এলাকায় মোবাইলে ধারণ করা ভিডিওতে দেখা যায়, ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র সরাসরি ভূমিতে আঘাত করছে, আর ইসরাইলের ‘আয়রন ডোম’ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ব্যর্থ হয়ে নিজেই তেল আবিবের ওপর গোলাবর্ষণ করছে, যার ফলে শহরের বিভিন্ন স্থানে আগুন ধরে যায়।

এ ঘটনার পরপরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয় হতভম্ব ও আতঙ্কিত ইসরাইলিদের ভিডিও, যারা ধ্বংসস্তূপের ভেতর দিয়ে হেঁটে বেরিয়ে আসছে।

উল্লেখ্য, ১৩ জুন রাতের অন্ধকারে ইসরাইল কোনো উসকানি ছাড়াই ইরানের অভ্যন্তরে একাধিক লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালায়। ওই হামলায় বসতবাড়িতে সরাসরি আঘাতে ইরানের শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তাসহ সাধারণ মানুষ নিহত হন।

এর প্রতিক্রিয়ায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি পরদিনই নতুন সামরিক কমান্ডার নিয়োগ দিয়ে ঘোষণা দেন, ‘ইসরায়েলের জীবনে অন্ধকার নেমে আসবে।’ এর অল্প সময় পরই শুরু হয় ইরানের পাল্টা প্রতিশোধ।

পরবর্তী হামলায় ইরানি বাহিনী তেল আবিব, জেরুজালেম ও হাইফাসহ একাধিক শহরে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ব্যবহার করে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চালায়।

 


শেয়ার করুন

সম্পর্কিত নিবন্ধ